📌 ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে সিগারেটের দাম নির্ধারণে নমনীয়তা চেয়ে প্রস্তাব দিয়েছে। তাদের দাবি, বৈধ সিগারেটের বিক্রি বৃদ্ধি ও রাজস্ব আয় স্থিতিশীল রাখতে মূল্যস্তরের মধ্যে উৎপাদকদের দাম সমন্বয়ের সুযোগ দেওয়া হোক
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটি) সিগারেটের দাম নির্ধারণে নমনীয়তা চেয়ে প্রস্তাব দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, বর্তমান মূল্য নির্ধারণ কাঠামোয় বৈধ সিগারেটের বিক্রি কমে যাচ্ছে এবং অবৈধ সিগারেটের বাজার বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই এনবিআরের নির্ধারিত মূল্যস্তরের মধ্যে উৎপাদকদের দাম সমন্বয়ের সুযোগ দেওয়া হলে বৈধ বাজারে বিক্রি বাড়বে এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে বলে মত বিএটির।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিএটি এনবিআরের কাছে সিগারেটের দাম নির্ধারণে নমনীয়তা চেয়ে প্রস্তাব দিয়েছে
- 📌 প্রতিষ্ঠানটির যুক্তি: বৈধ সিগারেট বিক্রি কমে যাওয়ার কারণে অবৈধ সিগারেটের বাজার বৃদ্ধি পাচ্ছে
- 📌 বিএটির প্রস্তাব: মূল্যস্তরের মধ্যে দাম সমন্বয়ের সুযোগ দেওয়া হলে বিক্রি ও রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে
- 📌 বিএটির হিসাব অনুযায়ী, মূল্যস্তরের মধ্যে স্বাধীনতা দেওয়া হলে বিক্রির পরিমাণ ৭ দশমিক ৯ বিলিয়ন শলাকা বৃদ্ধি পেতে পারে
- 📌 সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পেতে পারে প্রায় ৩ হাজার ৪১১ কোটি টাকা
📰 বিস্তারিত
ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে সিগারেটের দাম নির্ধারণে নমনীয়তা চেয়ে প্রস্তাব দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, বর্তমান মূল্য নির্ধারণ কাঠামোয় বৈধ সিগারেটের বিক্রি কমে যাচ্ছে এবং অবৈধ সিগারেটের বাজার বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই এনবিআরের নির্ধারিত মূল্যস্তরের মধ্যে উৎপাদকদের দাম সমন্বয়ের সুযোগ দেওয়া হলে বৈধ বাজারে বিক্রি বাড়বে এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে বলে মত বিএটির।
চলতি বছরের ৭ জুন এসআরও নং ১২৯-আইন/২০২৬/৩৩৪-এর ৩ নম্বর ধারায় চলমান কোনো ব্র্যান্ডের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) কমানো যাবে না বলে উল্লেখ রয়েছে। তবে বিএটির এই প্রস্তাব সামনে আসার পরই প্রশ্ন উঠেছে, রাজস্ব আয় বৃদ্ধির যুক্তিতে সিগারেটের দাম কমানোর সুযোগ দেওয়া হলে এর প্রভাব জনস্বাস্থ্যের ওপর কী হবে। কারণ সিগারেটের মূল্য ও কর নির্ধারণ শুধু সরকারের রাজস্ব আহরণের বিষয় নয়, তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।
চলতি বছরের ১৬ জুলাই এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে দেওয়া এক চিঠিতে বিদ্যমান মূল্যনীতি পুনর্বিবেচনার প্রস্তাব দেয় বিএটি বাংলাদেশ। চিঠিতে প্রতিষ্ঠানটি দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, কৃষি, উৎপাদন, সরবরাহব্যবস্থা এবং সরকারি রাজস্বে তামাকশিল্পের ভূমিকার কথা তুলে ধরে। বিএটির বক্তব্য, তারা এনবিআরের নির্ধারিত মূল্যস্তর পরিবর্তনের দাবি করছে না। বরং প্রতিটি মূল্যস্তরের সর্বনিম্ন সীমা ঠিক রেখে ওই সীমার মধ্যে বাজার পরিস্থিতি, ভোক্তার চাহিদা ও প্রতিযোগিতার বাস্তবতা বিবেচনায় উৎপাদকদের দাম নির্ধারণের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব করেছে।
‘বিএটি বাংলাদেশ পিএলসি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত নিয়ন্ত্রক কাঠামোর আওতায় কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং প্রযোজ্য আইন ও বিধিবিধান পরিপালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিএটির মুখপাত্র
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন শলাকা (২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিক্রির পরিমাণ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩ হাজার ২৪০ কোটি টাকা (২০২৩-২৪ অর্থবছরে সরকারের রাজস্ব আয়)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৪ দশমিক ২ বিলিয়ন শলাকা (প্রস্তাবিত বিক্রির পরিমাণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!