📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মহেশখালী সামিট এলএনজি টার্মিনালে ৪ দিনের রক্ষণাবেক্ষণে গ্যাস সরবরাহে বিপর্যয়: গ্রাহকদের জন্য ৩২ কোটি ঘনফুট ঘাটতি

মহেশখালী সামিট এলএনজি টার্মিনালে ৪ দিনের রক্ষণাবেক্ষণে গ্যাস সরবরাহে বিপর্যয়: গ্রাহকদের জন্য ৩২ কোটি ঘনফুট ঘাটতি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের প্রতিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কক্সবাজারের মহেশখালীতে সামিট এলএনজি টার্মিনালে ৪ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত রক্ষণাবেক্ষণে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এই সময়ে দৈনিক ৩২ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে যাবে, যা দেশের বিদ্যুৎ, শিল্প ও আবাসিক খাতের জন্য সংকট সৃষ্টি করতে পারে

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এই সময়ে দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহিত গ্যাসের পরিমাণ দৈনিক ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসবে। ফলে সারা দেশে গ্যাসের স্বল্পচাপের সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে পরিচালন প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত মহেশখালী সামিট এলএনজি টার্মিনালে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে
  • 📌 দৈনিক ৩২ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে যাবে — যা জাতীয় গ্রিডে রূপান্তরিত (রিগ্যাসিফিকেশন) করা সম্ভব হবে না
  • 📌 সরবরাহ কমে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসবে — আগের ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে ৩২% কমে যাবে
  • 📌 দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট — সরবরাহ হচ্ছে মাত্র ২৬৫০ মিলিয়ন ঘনফুট, ফলে প্রতিদিন ১১৫০ মিলিয়ন ঘনফুটের ঘাটতি রয়েছে
  • 📌 বিদ্যুৎ, শিল্প ও আবাসিক খাতে গ্যাস সংকট বাড়তে পারে — গ্রাহকদের জন্য অসুবিধা সৃষ্টি হতে পারে
  • 📌 গত ২১ জুলাই এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর দেশে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল, যা প্রায় দুই মাস স্থায়ী হয়েছিল

📰 বিস্তারিত

পেট্রোবাংলা আজ রোববার একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সামিট এলএনজি টার্মিনালে নির্ধারিত সময়ে রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এই সময়ে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহিত গ্যাসের পরিমাণ ৩২ কোটি ঘনফুট কমে যাবে। কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে বলেছে, এই সময়ে বিদ্যুৎ, শিল্প ও আবাসিক খাতে গ্যাসের স্বল্পতা দেখা দিতে পারে।

দেশে বর্তমানে গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট, কিন্তু সরবরাহ হচ্ছে মাত্র ২৬৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে সামিট ও এক্সিলারেট টার্মিনাল থেকে আসছে ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। সামিটের টার্মিনাল বন্ধ থাকলে এই সরবরাহ কমে যাওয়ায় গ্যাস সংকট আরও তীব্র হতে পারে।

গত বছরের ডিসেম্বরেও সামিটের টার্মিনালে একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হয়েছিল। তবে সেই সময়ের তুলনায় এই বার সংকটের সময়কাল সংক্ষিপ্ত হলেও, গ্যাসের ঘাটতি দেশের বিভিন্ন খাতে প্রভাব ফেলতে পারে।

"এ সময়ে সামিটের টার্মিনালে এলএনজি থেকে গ্যাসে রূপান্তরের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ফলে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ৩২ কোটি ঘনফুট কমবে। গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কক্সবাজার, মহেশখালী, সামিট এলএনজি টার্মিনাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পেট্রোবাংলা কর্তৃপক্ষ, গ্রাহকদের
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ দিন, ৩২ কোটি ঘনফুট, ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট, ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট, ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট, ২৬৫০ মিলিয়ন ঘনফুট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖