📅 ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাদারগঞ্জের ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে ধীরগতি: লোডশেডিং কমবে না কবে?

মাদারগঞ্জের ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে ধীরগতি: লোডশেডিং কমবে না কবে?

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জামালপুরের মাদারগঞ্জে নির্মাণাধীন ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক পরিবর্তন ও ঋণ জটিলতার কারণে প্রকল্পের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বিগ্ন যে, লোডশেডিং কমবে না কবে।

জামালপুরের মাদারগঞ্জে নির্মাণাধীন ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার আরপিসিএল সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। প্রকল্পের প্রায় ৬০ শতাংশ নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পরেও উৎপাদনে যাওয়ার কোনো স্পষ্ট সময়সীমা নেই। চলমান বিদ্যুৎ সংকটের প্রেক্ষাপটে এই প্রকল্পকে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হলেও, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, ডলারের দাম বৃদ্ধি, বন্যা ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে প্রকল্পের অগ্রগতি ধীরগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জামালপুরের মাদারগঞ্জে নির্মাণাধীন ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের ৬০% কাজ শেষ হলেও উৎপাদনে যাওয়ার কোনো স্পষ্ট সময়সীমা নেই
  • 📌 প্রকল্পের মূল কাজ ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে
  • 📌 সুইজারল্যান্ডভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান AFRY Switzerland Ltd-এর চুক্তি ২০২৫ সালের জুনে শেষ হওয়ার পর নতুন পরামর্শক নিয়োগে দেরি
  • 📌 ভারতীয় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান আমারারাজা ইল্কা প্রাইভেট লিমিটেডের প্রাপ্য অর্থ পরিশোধ না হওয়ায় নির্মাণকাজ থেমে আছে
  • 📌 প্রকল্প এলাকায় ৮-১০টি পরিবার বসবাস করছে, তাদের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে

📰 বিস্তারিত

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার জোড়খালি ইউনিয়নের কাইজার চরে ৩২৫ দশমিক ৬৫ একর জমিতে নির্মাণাধীন এই প্রকল্পের মূল কাজ ২০২১ সালে শুরু হয়েছিল। প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা ছিল বছরে প্রায় ১ লাখ ৭৮ হাজার ২৭৪ মেগাওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন। তবে প্রকল্পের কাজ ধীরগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, ডলারের দাম বৃদ্ধি, পরপর বন্যা, দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং বিদেশি ঋণ ছাড়ের জটিলতার কারণে প্রকল্পের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে প্রকল্পের মূল কাজ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে ২০২৫ সালের জুনে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান AFRY Switzerland Ltd-এর চুক্তি শেষ হয়ে যায়। নতুন পরামর্শক নিয়োগে দেরি হওয়ায় প্রকল্পের অগ্রগতি আরও বাধাগ্রস্ত হয়। পরে ২০২৬ সালের ২৫ আগস্ট আটলান্টা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানকে নতুন পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে প্রতিষ্ঠানটির অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অন্যদিকে, আরপিসিএলের ২০২৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর তারিখের চিঠিতে ভারতীয় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান আমারারাজা ইল্কা প্রাইভেট লিমিটেডকে প্রকল্পের জন্য উপকরণ সরবরাহ বন্ধ রাখতে বলা হয়। এরপর থেকে প্রতিষ্ঠানটির প্রাপ্য অর্থের বড় একটি অংশ পরিশোধ না হওয়ায় নির্মাণকাজ থেমে আছে। ভারতীয় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি প্রকল্প এলাকায় দুটি বড় ব্যাচিং প্ল্যান্ট, জনবল, শ্রমিক ও নির্মাণসামগ্রী নিয়ে অপেক্ষমাণ রয়েছে। কাজ বন্ধ থাকলেও এসব সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ ও জনবল ধরে রাখতে প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় হচ্ছে।

কাজ বন্ধ থাকায় প্রকল্পের টাওয়ারের বিভিন্ন উপকরণ চুরি থেকে রক্ষা করতে সংশ্লিষ্টদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আমদানি করা বিভিন্ন সামগ্রীও দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এতে সেগুলো চুরি ও মান নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, কাজ বন্ধ হওয়ার আগেই প্রকল্পের বড় একটি অংশ সম্পন্ন হয়েছিল। চরাঞ্চলকে নদীভাঙন থেকে রক্ষা করতে আরসিসি ব্লক বসানো, মাটি ভরাট, সৌর প্যানেলের ফ্রেম তৈরি এবং উৎপাদিত বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য টাঙ্গাইলের ঘাটাইল গ্রিড উপকেন্দ্র পর্যন্ত ৪৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে ছিল।

প্রকল্পটির একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবিক ও পরিবেশগত দিকও রয়েছে। জমি অধিগ্রহণের পর নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ২৪১টি ভূমিহীন পরিবারকে পরিকল্পিত আবাসন প্রকল্পের মাধ্যমে পাকা বাড়ি নির্মাণ করে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এ পুনর্বাসন কার্যক্রম এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। আরপিসিএল নিজস্ব অর্থায়নে দেশীয় একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পুনর্বাসন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। সেখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, বাজার, মসজিদ ও কবরস্থানের সুবিধা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া প্রকল্পটিকে আংশিক ‘কৃষি-সৌর’ বা অ্যাগ্রিভোলটাইক প্রকল্প হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। সৌর প্যানেলের নিচে হলুদ, আদা ও কাঁচামরিচ চাষের পাশাপাশি বর্ষাকালে মাছ চাষের পরিকল্পনাও রয়েছে।

"আমরা স্বামী-স্ত্রীসহ পরিবারে দুই ছেলে, এক মেয়ে, শাশুড়ি ও এক ছেলের বউ - সব মিলিয়ে সাতজন। এখানে আমাদের বাড়ি থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের কোনো নিশ্চয়তা নেই। প্রকল্পের কাজ বন্ধ থাকায় আমাদের জীবনযাপনেও অসুবিধা হচ্ছে।"

— স্থানীয় বাসিন্দা আজিবর আকন্দের স্ত্রী সবুরা খাতুন

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মাদারগঞ্জ, জামালপুরের জোড়খালি ইউনিয়ন, কাইজার চর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্থানীয় বাসিন্দা সবুরা খাতুন, প্রকল্প পরামর্শকদের দল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ মেগাওয়াট (প্রকল্প ক্ষমতা), ৬০% (নির্মাণকাজ সম্পন্ন), ৩২৫.৬৫ একর (জমি), ১ লাখ ৭৮ হাজার ২৭৪ মেগাওয়াট ঘণ্টা (বছরানুযায়ী উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖