📅 ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুমিল্লা থেকে সার আনতে বাধ্য হাসিনা: কুড়িগ্রামের কৃষকদের সার সংকটের কাহিনী

কুমিল্লা থেকে সার আনতে বাধ্য হাসিনা: কুড়িগ্রামের কৃষকদের সার সংকটের কাহিনী

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার হাজিপাড়ায় সার সংকটে কৃষকরা নিজেদের জমিতে সার প্রয়োগ করতে পারছেন না। কুমিল্লা থেকে ১৫ কেজি ইউরিয়া আনতে বাধ্য হাসিনা বেগমের মতো অনেক কৃষকই সার সংকটের শিকার। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জানান, ইউনিয়নে সারের বরাদ্দ কম এবং সিন্ডিকেটের কারণে সার বিতরণে অসুবিধা চলছে।

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বল্লভেরখাস ইউনিয়নে সার সংকটের কারণে কৃষকরা জমিতে সার প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। সার পাওয়ার অভাবে নিজের ৩৬ শতাংশ জমিতে সার প্রয়োগ করতে বাধ্য হাসিনা বেগম কুমিল্লা থেকে ১৫ কেজি ইউরিয়া আনতে বাধ্য হন। সার সংকটের কারণে ধানের চারা গাছের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **কুমিল্লা থেকে সার আনতে বাধ্য হাসিনা বেগম**: কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার হাজিপাড়ার কৃষক হাসিনা বেগম নিজের জমিতে সার পাওয়ার অভাবে কুমিল্লা থেকে ১৫ কেজি ইউরিয়া আনতে বাধ্য হন।
  • 📌 **৩৬ শতাংশ জমিতে সার সংকট**: হাসিনা বেগমের ৩৬ শতাংশ জমিতে সার প্রয়োগের কারণে ধানের চারা গাছের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে পড়েছে।
  • 📌 **সার বিতরণে অসুবিধা**: উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, ইউনিয়নে ১ হাজার ৮৬৯ হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে। সারের বরাদ্দ কম এবং সিন্ডিকেটের কারণে সার বিতরণে অসুবিধা চলছে।
  • 📌 **সার চোরাবাজির অভিযোগ**: কৃষকরা অভিযোগ করেন, ডিলার এবং খুচরা বিক্রেতারা সার চোরাবাজি করে অন্য জায়গায় বিক্রি করছেন।
  • 📌 **নারীদের জন্য আরও কঠিন**: নারীরা সার পেতে ডিলারের গুদামের সামনে লাইনে দাঁড়াতে পারছেন না। তারা গোপনে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে সার কিনছেন, কিন্তু দাম বেশি হয়ে যায়।
  • 📌 **বন্যা না হওয়ায় চাষ বৃদ্ধি**: বন্যা না হওয়ায় ইউনিয়নে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯০ হেক্টর বেশি জমিতে আমন চাষ হয়েছে।
  • 📌 **সার সংকটের কারণে কৃষকদের ক্ষতি**: সার বিতরণে অসুবিধার কারণে অনেক জমিতে সার দেওয়া হয়নি। অতিরিক্ত ৮ টন সার বরাদ্দ পাওয়া গেছে, যা বিতরণ করা হচ্ছে।
  • 📌 **ডেঙ্গু চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতকরণ**: গত ১৩ সেপ্টেম্বর নগর ভবনে অনুষ্ঠিত সভায় ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একদিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রতিটি বেডের জন্য ২০ হাজার টাকা করে ৩০টি বেড কিনতে ৬ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বল্লভেরখাস ইউনিয়নের হাজিপাড়ায় বসবাসকারী হাসিনা বেগম আজিজার রহমানের জমিতে সার সংকটের কারণে ধানের চারা গাছের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে পড়েছে। হাসিনা বলেন, ‘এলাকায় সার পাই না। ভিড়তে লাইন দাঁড়বারও পাই না। জমি গারছি থাকি একবারও সার দেই নাই। শুধু কুমিল্লা থেকে স্বামী ১৫ কেজি ইউরিয়া পাঠিয়েছেন। সার বিনাকর ধান আগায় নাই, বসি গেইছে।’

সার সংকটের কারণে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, ইউনিয়নে ১ হাজার ৮৬৯ হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে। বন্যা না হওয়ায় ইউনিয়নের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আরও ৯০ হেক্টর বেশি জমিতে আমন চাষ হয়েছে। সারের বরাদ্দ কম এবং সিন্ডিকেটের কারণে সার বিতরণে অসুবিধা চলছে। তিনি বলেন, ‘বেশির ভাগ জমিতে দুই দফা সার দেওয়া হলেও এখনো অনেক জমিতে একবার কিংবা দুবার সার দিতে হবে। অতিরিক্ত ৮ টন সার বরাদ্দ পাওয়া গেছে, সেগুলো বিতরণ করা হচ্ছে।’

কৃষকরা অভিযোগ করেন, ডিলার এবং খুচরা বিক্রেতারা সার চোরাবাজি করে অন্য জায়গায় বিক্রি করছেন। হোকমান আলী বলেন, ‘বিএসগুলা সব নষ্টের মূল। এমরায় ডিলারসহ সার চোর করি অন্য জায়গাত বেচে। ওমার জন্যে হামরা সার পাই না। ফির টাকা বেশি দিলে সার পাওয়া যায়।’

সার সংকটের কারণে নারীরা বিশেষভাবে বিড়ম্বিত হচ্ছেন। তারা ডিলারের গুদামের সামনে লাইনে দাঁড়াতে পারছেন না এবং গোপনে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে সার কিনছেন। তবে দাম বেশি হয়ে যায় বলে তারা অভিযোগ করেন।

গত ১৩ সেপ্টেম্বর নগর ভবনে অনুষ্ঠিত সভায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একদিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রতিটি বেডের জন্য ২০ হাজার টাকা করে মোট ৩০টি বেড কিনতে ৬ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।

"এলাকাত সার পাই না। ভিড়তে লাইন দাঁড়বারও পাই না। জমি গারছি থাকি একবারও সার দেই নাই। শুধু কুমিল্লা থেকে স্বামী ১৫ কেজি ইউরিয়া পাঠিয়েছেন। সার বিনাকর ধান আগায় নাই, বসি গেইছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বল্লভেরখাস ইউনিয়ন, নাগেশ্বরী উপজেলা, কুড়িগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাসিনা বেগম আজিজার রহমান, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, হোকমান আলী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ কেজি (সার), ৩৬ শতাংশ (জমি), ১ হাজার ৮৬৯ হেক্টর (আমন চাষ), ৯০ হেক্টর (বৃদ্ধি), ৮ টন (সার বরাদ্দ), ১৩ সেপ্টেম্বর (সিদ্ধান্ত), ২০ হাজার টাকা (প্রতি বেড), ৩০টি বেড, ৬ লাখ টাকা (ব্যয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖