📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব: ১৩৯ টাকা বেশি দিতে হবে প্রতি সিলিন্ডারে

এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব: ১৩৯ টাকা বেশি দিতে হবে প্রতি সিলিন্ডারে

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডেইলি বাংলাদেশ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ এনার্জি নিয়ন্ত্রণ কমিশনের কারিগরি কমিটি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে ১৯৭৬ টাকা করার সুপারিশ করেছে। প্রতি সিলিন্ডারে ১৩৯ টাকা বেশি দিতে হবে। অটোগ্যাসের দামও বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। ভোক্তা অধিকার সমিতি অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের বিরুদ্ধে সতর্কতা জানিয়েছে

বাংলাদেশে রান্নার গ্যাস ও যানবাহনের অটোগ্যাসের দাম আরও বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ এনার্জি নিয়ন্ত্রণ কমিশনের কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বর্তমান ১৮৩৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯৭৬ টাকা করা হবে, যা প্রতি সিলিন্ডারে ১৩৯ টাকা বেশি দিতে হবে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি। বৃহস্পতিবার রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে এই প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়বে ১৩৯ টাকা** — ১৮৩৭ টাকা থেকে ১৯৭৬ টাকা
  • 📌 **প্রতি কেজি গ্যাসের আমদানি মূল্য বাড়বে ৩০ পয়সা** — ১২৮ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ১২৮ টাকা ৭০ পয়সা
  • 📌 **মজুতকরণ ও বোতলজাতকরণ চার্জ বাড়বে ৬ টাকা ৭৪ পয়সা** — ১৬ টাকা ৭৪ পয়সা থেকে ২৩ টাকা ৪৮ পয়সা
  • 📌 **অটোগ্যাসের দামও বাড়ানোর প্রস্তাব** — প্রতি লিটার ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা থেকে ৯৩ টাকা ৮৮ পয়সা
  • 📌 **বাজারে অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অভিযোগ** — গ্রাহককে ৫০০-৬০০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে
  • 📌 **দেশে বছরে ১৮ লাখ টন এলপিজি ব্যবহৃত হয়** — এর ৯৯% সরবরাহ করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান

📰 বিস্তারিত

গণশুনানিতে কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, আমদানি, পরিবহন, মজুত ও বোতলজাতকরণসহ বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যয় বেড়েছে। এই কারণে আমদানিকারক, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও ব্যয়ের হিসাব বিবেচনার পর কমিশন নতুন মূল্য ঘোষণা করবে।

প্রস্তাবিত নতুন চার্জের মধ্যে রয়েছে: প্রতি কেজি গ্যাসের মজুতকরণ ও বোতলজাতকরণ চার্জ ১৬ টাকা ৭৪ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২৩ টাকা ৪৮ পয়সা করা হয়েছে। পরিবেশক চার্জ ৪ টাকা ১৭ পয়সা থেকে ৬ টাকা ৬৭ পয়সা এবং খুচরা বিক্রেতার চার্জ ৩ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে ৫ টাকা ৮৩ পয়সা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এসব চার্জের সঙ্গে পরিবহন ব্যয়ও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অভিযোগের মুখে বাংলাদেশ ভোক্তা অধিকার সমিতি দাবি জানিয়েছে, নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্য আদায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। তারা দাম বাড়ানোর আগে সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, মজুতদারি ও অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

"আমদানি থেকে খুচরা বিক্রি পর্যন্ত ব্যয়ের হিসাব যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ভোক্তা অধিকার সমিতি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নিউ ইস্কাটন, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ এনার্জি নিয়ন্ত্রণ কমিশন, ভোক্তা অধিকার সমিতি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩৯ টাকা (সিলিন্ডার প্রতি বাড়তি মূল্য), ১৮ লাখ টন (বছরে এলপিজি ব্যবহৃত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖