📌 এলএনজি কার্গোর অভাবে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল পুরোপুরি গ্যাসশূন্য হয়ে পড়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমেছে। সামিটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ বৃদ্ধি সত্ত্বেও সামগ্রিক প্রবাহে উল্লেখযোগ্য পতন ঘটেছে
এলএনজি কার্গোর সংকটের কারণে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল পুরোপুরি গ্যাসশূন্য হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। পেট্রোবাংলার সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে মোট গ্যাস প্রবাহ দাঁড়ায় ২১৮৯ মিলিয়ন ঘনফুটে, যা দুপুর ১২টার তুলনায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট কম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল পুরোপুরি গ্যাসশূন্য হয়ে যাওয়ায় নতুন কার্গো আসার আগ পর্যন্ত সামিটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে
- 📌 দুপুর ১২টায় জাতীয় সঞ্চালন লাইনে গ্যাস সরবরাহ ছিল ২২৮৯ মিলিয়ন ঘনফুট, যা সন্ধ্যা ৬টায় কমে দাঁড়ায় ২১৮৯ মিলিয়ন ঘনফুটে
- 📌 সামিটের টার্মিনাল থেকে সন্ধ্যায় সরবরাহ করা হচ্ছিল ৫৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
- 📌 এক্সিলারেট কর্তৃপক্ষের তথ্য বিভ্রাট ও বয়লার সচল হওয়ার কারণে কার্গো সংকট আরও তীব্র হয়েছে
- 📌 ক্রয় কমিটির জরুরি বৈঠকে সিঙ্গাপুর থেকে দুই কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
পেট্রোবাংলার প্রতিবেদন অনুসারে, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে দেশীয় কূপ থেকে ১৬২৮ মিলিয়ন ঘনফুট এবং দুই এলএনজি টার্মিনাল থেকে মোট ৬৬১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় সঞ্চালন লাইনে সরবরাহ করা হয়েছিল। ফলে মোট প্রবাহ দাঁড়ায় ২২৮৯ মিলিয়ন ঘনফুট। তবে সন্ধ্যা ৬টার দিকে এলএনজি টার্মিনাল থেকে সরবরাহ কমে দাঁড়ায় ৫৬২ মিলিয়ন ঘনফুটে। তখন জাতীয় সঞ্চালন লাইনে মোট গ্যাস প্রবাহ ছিল ২১৮৯ মিলিয়ন ঘনফুট, যা আগের তুলনায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট কম।
রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিএল) একজন কর্মকর্তা জানান, দুপুর ২টা ৪০ মিনিটের দিকে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল পুরোপুরি গ্যাসশূন্য হয়ে যায়। তিনি বলেন, ‘এক্সিলারেট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল তাদের একটি বয়লার সচল করতে ৭২ ঘণ্টার বিরতি প্রয়োজন। তবে পরবর্তীতে তারা জানায় যে বয়লারটি নিজেই সচল হয়ে গেছে। এছাড়া কার্গো সংকটের কারণে তথ্যের বিভ্রাটও ঘটেছে।’
এদিকে গত মঙ্গলবার রাতে ক্রয় কমিটির জরুরি বৈঠকে সিঙ্গাপুর থেকে দুই কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। এর মধ্যে একটি কার্গো আগামী ২৩ আগস্ট দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এছাড়া বুধবার নিয়মিত বৈঠকে প্রতি ইউনিট ২৩ দশমিক ৯৩ ডলারে একটি কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ মূল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
‘এক্সিলারেট বলেছিল, তাদের একটি বয়লার সচল করার জন্য ৭২ ঘণ্টার একটা বিরতি দিতে হবে। এখন সেই বয়লার এমনিতেই ঠিক হয়ে গেছে বলে তারা জানাচ্ছে। তথ্যের বিভ্রাটও কার্গো সংকটের একটা কারণ।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কর্মকর্তা (আরপিজিএল), আবদুল আউয়াল মিন্টু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট (গ্যাস প্রবাহ হ্রাস), ৫৬০ মিলিয়ন ঘনফুট (সামিটের সরবরাহ), ৭২ ঘণ্টা (বয়লার বিরতি), ২৩ আগস্ট (প্রথম কার্গো আগমনের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!