📅 ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গ্রামীণফোন কর্মীদের ১৫ বছরের বকেয়া পাওনা আদায়ে বিএসইসির কাছে স্মারকলিপি ও প্রতিবাদ সমাবেশ

গ্রামীণফোন কর্মীদের ১৫ বছরের বকেয়া পাওনা আদায়ে বিএসইসির কাছে স্মারকলিপি ও প্রতিবাদ সমাবেশ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গ্রামীণফোন লিমিটেডের সাবেক কর্মীদের ২০১০-২০১২ সালের ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত ক্ষতিপূরণ ও আইনসংগত পাওনা আদায়ে বিএসইসিতে স্মারকলিপি প্রদান ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন দাবিদাররা। দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে অমীমাংসিত থাকা এ পাওনা আদায়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে গ্রামীণফোন লিমিটেডের সাবেক কর্মীদের ২০১০ থেকে ২০১২ সালের ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত ক্ষতিপূরণ ও আইনসংগত পাওনা দ্রুত পরিশোধের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান এবং রাজধানীর বিএসইসি ভবনের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন দাবিদাররা। বৃহস্পতিবার সকালে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নেন গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিএসইসিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন ‘গ্রামীণফোন ৫% বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদ’
  • 📌 দাবি করা হচ্ছে ২০১০-২০১২ সালের শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল ও ক্ষতিপূরণের ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত অর্থ পরিশোধে দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর ধরে অনিষ্পত্তি রয়েছে
  • 📌 বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ধারা ২৩৪ অনুযায়ী কোম্পানিকে শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিলে ৫ শতাংশ অর্থ প্রদানের বিধান রয়েছে
  • 📌 গ্রামীণফোন দাবি করেছে তাদের বেশিরভাগ সাবেক কর্মী ইতোমধ্যেই প্রতিষ্ঠান থেকে বিদায় নিয়েছেন এবং আইন অনুযায়ী প্রাপ্য অর্থ গ্রহণ করেছেন

📰 বিস্তারিত

গ্রামীণফোন লিমিটেডের সাবেক কর্মীদের দাবি, বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ধারা ২৩৪ অনুযায়ী কোম্পানিকে পরবর্তী বছরের নিট মুনাফার ৫ শতাংশ শ্রমিক অংশগ্রহণ তহবিল, শ্রমিক কল্যাণ তহবিল এবং বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে প্রদান করতে হয়। তবে গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ ২০১০ থেকে ২০১২ সালের এসব তহবিলের মূল অর্থ পরিশোধ করলেও সংশ্লিষ্ট ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত ক্ষতিপূরণ বা দেরির কারণে প্রাপ্য অর্থ আদায়ে দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর ধরে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে সাবেক কর্মী ও সুবিধাভোগীরা তাদের আইনসংগত পাওনা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।

বিএসইসিতে স্মারকলিপি প্রদানের বিষয়ে গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মী ফজলুল করিম প্রিন্স বলেন, বিএসইসি দেশের পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং পুঁজিবাজারের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি আরও বলেন, কমিশনের উচিত গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে তদন্ত পরিচালনা করে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দ্রুত পাওনা পরিশোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

গ্রামীণফোন বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানায়, তাদের বেশিরভাগ সাবেক কর্মী ইতোমধ্যেই প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করেছেন এবং আইন অনুযায়ী তাদের প্রাপ্য অর্থ গ্রহণ করেছেন। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত বেশিরভাগ দাবি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এসব বিষয়ের সমাধান হবে বলে তারা বিশ্বাস করে।

"আমরা কোনো বিশেষ সুবিধা চাই না। আমরা আইনসংগত পাওনা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ চাই। ১৬ বছর ধরে একটি পাওনা অনিষ্পন্ন থাকা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফজলুল করিম প্রিন্স
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ শতাংশ, ১৫ বছর, ১৬ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖