📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে থমকে গেছে চট্টগ্রামের তিন হাজার কারখানা

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে থমকে গেছে চট্টগ্রামের তিন হাজার কারখানা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের তিন হাজারের বেশি কারখানা গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে বিপর্যস্ত। উৎপাদন অর্ধেকে নেমে আসায় শিল্প খাতের কোমর ভেঙে পড়েছে। কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির তথ্যমতে, চাহিদার তুলনায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কম সরবরাহ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, লোডশেডিংয়ের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে

চট্টগ্রামে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে তিন হাজারের বেশি ছোট-বড় শিল্পকারখানা। উৎপাদন অর্ধেকে নেমে আসায় শিল্প খাতের কোমর ভেঙে পড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতির কারণে পণ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে বিপণন পর্যন্ত সব ক্ষেত্রে সমস্যা বেড়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রামে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে বিপর্যস্ত তিন হাজারের বেশি কারখানা
  • 📌 উৎপাদন অর্ধেকে নেমে আসায় শিল্প খাতের কোমর ভেঙে পড়েছে
  • 📌 কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির তথ্যমতে, চাহিদার তুলনায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কম সরবরাহ
  • 📌 বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, লোডশেডিংয়ের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রামের শিল্পকারখানাগুলো গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৬ থেকে ২৯ আগস্ট সরকারি ছুটির কারণে গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও গত রোববার ও সোমবার স্বাভাবিক কর্মদিবসে আবারও ঘাটতি দেখা দেয়। চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, ‘গ্যাস-বিদ্যুতের কারণে শিল্প খাতের কোমর ভেঙে যাওয়ার মতো অবস্থা। প্রতিদিন আমরাও বলছি, আপনারাও লিখছেন। কী হচ্ছে? কোনো উন্নতি তো দেখতে পাচ্ছি না।’

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) তথ্যমতে, গত শনিবার চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। অথচ চাহিদা ছিল ৩৫০ থেকে ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট। উপমহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোহাম্মদ রফিক খান বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় ঘাটতি রয়েছে।’

এদিকে চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের তথ্যমতে, গত রোববার চাহিদা ছিল ১ হাজার ২০৯ দশমিক ৪৩ মেগাওয়াট। তবে সরবরাহ করা হয়েছে মাত্র ১ হাজার ৯ দশমিক ৭৩ মেগাওয়াট। লোডশেডিং হয়েছে ১৯৯ দশমিক ৭০ মেগাওয়াট। চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকবর হোসেন বলেন, ‘আমরা যতটুকু উৎপাদন করছি, জাতীয় গ্রিডে দিয়ে দিচ্ছে। লোডশেডিং করা ছাড়া তো কোনো উপায় নেই।’

‘গ্যাস-বিদ্যুতের কারণে শিল্প খাতের কোমর ভেঙে যাওয়ার মতো অবস্থা। প্রতিদিন আমরাও বলছি, আপনারাও লিখছেন। কী হচ্ছে? কোনো উন্নতি তো দেখতে পাচ্ছি না।’ — চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আমিরুল হক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪৩ (তৈরি পোশাকশিল্প কারখানা), ১ হাজার ২০০ (ভারী শিল্প ইউনিট), ৩ হাজার (ছোটবড় কারখানা), ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (গ্যাস সরবরাহ), ১ হাজার ২০৯ দশমিক ৪৩ মেগাওয়াট (বিদ্যুৎ চাহিদা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖