📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

স্বপ্ন থেকে সাফল্য: মাছের পোনা বিক্রেতা থেকে ১৭টি হ্যাচারির মালিক আবদুল আজিজ

স্বপ্ন থেকে সাফল্য: মাছের পোনা বিক্রেতা থেকে ১৭টি হ্যাচারির মালিক আবদুল আজিজ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 একসময় বাইসাইকেলে গ্রামে গ্রামে মাছের পোনা বিক্রি করা আবদুল আজিজ এখন ১৭টি হ্যাচারির মালিক। তাঁর প্রতিষ্ঠানে বছরে উৎপাদিত হয় এক থেকে দেড় কোটি রেণু ও পোনা। কর্মসংস্থান হয়েছে ৭২টি পরিবারের

নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চর মজিদ গ্রামের আবদুল আজিজ একসময় বাইসাইকেলে গ্রামে গ্রামে ঘুরে মাছের পোনা বিক্রি করতেন। পরবর্তীতে নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তিনি গড়ে তোলেন ১৭টি হ্যাচারি। তাঁর প্রতিষ্ঠানে বছরে উৎপাদিত হয় এক থেকে দেড় কোটি রেণু ও পোনা। খরচ বাদ দিয়ে বছরে আয় হচ্ছে প্রায় ১০ লাখ টাকা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আবদুল আজিজের হ্যাচারিতে বছরে উৎপাদিত হয় এক থেকে দেড় কোটি মাছের রেণু ও পোনা
  • 📌 তাঁর প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন ১২ জন স্থায়ী শ্রমিক ও ৬০ জন পোনা বিক্রেতা
  • 📌 খামারের আয় থেকে বছরে লাভ প্রায় ১০ লাখ টাকা
  • 📌 এলাকায় কর্মসংস্থান হয়েছে ৭২টি পরিবারের
  • 📌 ২০২৫ সালে জাতীয় মৎস্য পুরস্কার লাভ করেন আবদুল আজিজ

📰 বিস্তারিত

২০১২ সালে মাত্র ২০ শতক জমিতে মাছের পোনা উৎপাদন শুরু করেন আবদুল আজিজ। পরবর্তীতে নিজের কেনা ও লিজ নেওয়া মিলিয়ে ১৫ একর ২০ শতাংশ জমিতে তিনি গড়ে তোলেন ১৭টি হ্যাচারি। তাঁর প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে উৎপাদিত হয় এক থেকে দেড় কোটি রেণু ও পোনা। খরচ বাদ দিয়ে বছরে আয় হচ্ছে প্রায় ১০ লাখ টাকা।

আবদুল আজিজ জানান, তাঁর হ্যাচারিতে কর্মরত রয়েছেন ১২ জন স্থায়ী শ্রমিক। তাঁদের মাসিক বেতন ৯ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত। এছাড়া তাঁর কাছ থেকে পোনা নিয়ে গ্রামে গ্রামে বিক্রি করেন আরও ৬০ জন ব্যবসায়ী। ফলে তাঁর প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে প্রায় ৭২টি পরিবার।

২০২৫ সালে জাতীয় মৎস্য পুরস্কার লাভ করেন আবদুল আজিজ। তাঁর হ্যাচারি ও মাছের খামার এলাকার গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। স্থানীয় মৎস্য কর্মকর্তারা নিয়মিত তাঁর খামার পরিদর্শন করে মাছের রোগবালাই দমন ও সার্বিক সুরক্ষায় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।

"আগে অ্যারোটর মেশিনের গুরুত্ব সম্পর্কে তেমন কিছুই জানতেন না। কিন্তু প্রযুক্তির সহায়তায় পানিতে অক্সিজেনের সঠিক মাত্রা বজায় রেখে এখন তিনি রেণুপোনা বড় করতে পারছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের চর মজিদ গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল আজিজ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭টি হ্যাচারি, ১৫ একর ২০ শতাংশ জমি, ১০ লাখ টাকা আয়

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖