📅 ২৬ আগস্ট ২০২৬, ৩:১০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জ্বালানি খরচ দ্বিগুণ হওয়া সত্ত্বেও রিজার্ভ স্থিতিশীলতার কারণ অর্থনৈতিক স্থবিরতা

জ্বালানি খরচ দ্বিগুণ হওয়া সত্ত্বেও রিজার্ভ স্থিতিশীলতার কারণ অর্থনৈতিক স্থবিরতা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশকে বিদায়ী অর্থবছরে দ্বিগুণ ব্যয় করতে হয়েছে। তবে অর্থনৈতিক স্থবিরতার কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশকে জ্বালানি আমদানিতে দ্বিগুণেরও বেশি ব্যয় বহন করতে হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এই অর্থবছরে জ্বালানি খাতে মোট ব্যয় দাঁড়ায় ১০ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৫ বিলিয়ন ডলার বেশি। একই সময়ে দেশের মোট আমদানি ব্যয় বেড়েছে ৬ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার বা ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিদায়ী অর্থবছরে জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ১০ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি
  • 📌 মোট আমদানি ব্যয় বেড়েছে ৬ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেশি
  • 📌 অর্থনৈতিক স্থবিরতার কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক
  • 📌 গত জুন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়ায় ৩২ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ডলারে
  • 📌 প্রবাসী আয় ও বিদেশি ঋণছাড়ের কারণে ডলারের বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের মোট আমদানি ব্যয় হয়েছে ৭১ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরে এই ব্যয় ছিল ৬৪ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা জানান, বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে অর্থনীতিতে স্থবিরতা থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রয়েছে।

গত অর্থবছরের জুন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার। চলতি বছরের জুন শেষে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩২ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ডলারে। সর্বশেষ ২০ আগস্ট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩২ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম ৬ অনুযায়ী, এই রিজার্ভের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আগের অর্থবছরের তুলনায় দ্বিগুণ ব্যয়ের পরও আমরা পর্যাপ্ত জ্বালানি পাচ্ছি না, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।’ তিনি আরও জানান, অর্থনীতিতে স্থবিরতা থাকায় জ্বালানি খরচ বৃদ্ধির পরও ডলার ও রিজার্ভে বড় ধাক্কা লাগেনি।

‘সার্বিকভাবে অর্থনীতিতে মন্দাভাব থাকায় জ্বালানি খরচ বৃদ্ধির পরও ডলার ও রিজার্ভে বড় ধাক্কা লাগেনি। পাশাপাশি বিদেশি ঋণছাড় ও প্রবাসী আয়ে গতি ছিল, এ কারণে খুব বেশি সমস্যা হয়নি।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোস্তাফিজুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলার, ৩২ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ডলার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖