📌 পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণ কার্যক্রম শেষে গ্লোবাল ও ইউনিয়ন ব্যাংক থেকে প্রশাসক প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রাষ্ট্রীয় মালিকানায় পরিচালিত ব্যাংকগুলো এখন স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদের অধীনে পরিচালিত হবে। ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সুরক্ষায় সরকার প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে।
ঢাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। সর্বশেষ গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক থেকে প্রশাসক টিম প্রত্যাহার করার মধ্য দিয়ে এই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। ফলে এখন কোনো ব্যাংকেই বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রশাসক বা প্রতিনিধি নেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে
- 📌 গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক থেকে প্রশাসক প্রত্যাহার করা হয়েছে
- 📌 প্রশাসক টিম প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে কোনো ব্যাংকেই বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি নেই
- 📌 নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পরিচালনা পর্ষদ গঠনের পর প্রশাসক টিম প্রত্যাহার করা হয়েছে
- 📌 ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সুরক্ষায় সরকার প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, পাঁচ ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণ কার্যক্রম পুরোপুরি শেষ হয়েছে। তিনি বলেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি), চেয়ারম্যান ও স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ গঠনের পর প্রশাসক টিম প্রত্যাহার করা হয়েছে। কারণ দ্বৈত শাসনের পরিস্থিতি এড়াতেই ধাপে ধাপে প্রশাসকদের প্রত্যাহার করা হয়েছে।
আরিফ হোসেন খান জানান, একীভূতকরণ কার্যক্রম শুরুতে প্রতিটি ব্যাংকে একজন প্রশাসকের নেতৃত্বে প্রশাসক টিম নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংক ও মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে নতুন এমডি নিয়োগ এবং পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়। তিনি বলেন, প্রথম ধাপে এক্সিম ব্যাংক থেকে প্রশাসক টিম প্রত্যাহার করা হয়। পরে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক থেকেও প্রশাসক প্রত্যাহার করা হয়। সর্বশেষ গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক থেকে প্রশাসক টিম প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সরকার প্রাথমিকভাবে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্যান্য উৎস মিলিয়ে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা দিয়ে ব্যাংকটির কার্যক্রম শুরু করেছে। এই অর্থের মাধ্যমে ক্ষুদ্র আমানতকারীদের কিছু চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন যে, আমানতকারীদের চাহিদার তুলনায় অর্থের জোগান অপ্রতুল ছিল।
আরিফ হোসেন খান বলেন, ব্যাংকটির মালিক এখন রাষ্ট্র হওয়ায় জনগণের আমানত সুরক্ষিত থাকবে—এই আস্থা ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে। তিনি জানান, আগে এসব ব্যাংকের শাখায় আমানতকারীদের টাকা না পাওয়াকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটত। এখন সে ধরনের পরিস্থিতি আর দেখা যাচ্ছে না।
"আগে এসব ব্যাংকের শাখায় আমানতকারীদের টাকা না পাওয়াকে কেন্দ্র করে বচসা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটত। এখন সে ধরনের পরিস্থিতি আর দেখা যাচ্ছে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আরিফ হোসেন খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ ব্যাংক, ৩৫ হাজার কোটি টাকা, ২০ হাজার কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!