📌 গ্যাস ও কাঁচামাল সংকটে দেশের সাতটি রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানার মধ্যে ছয়টিই বন্ধ হয়ে পড়েছে। উৎপাদনহীন অবস্থায় থাকা কারখানাগুলোর মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রামের সিইউএফএল ও জেএফসিএল। কৃষি মন্ত্রণালয় অবশ্য দাবি করেছে, দেশে সারের কোনো সংকট নেই এবং চলতি মাসেই আমদানি করা সার আসতে শুরু করবে
গ্যাস ও কাঁচামাল সংকটে দেশের সাতটি রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানার মধ্যে ছয়টিই বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সামনের আমন মৌসুমে সারের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। শুধু ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি (জিপি) সার কারখানাটি উৎপাদনে রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্রায়ত্ত বিসিআইসির অধীনে দেশে মোট সাতটি সার কারখানা রয়েছে
- 📌 চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল), যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (জেএফসিএল), আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি (এএফসিএল), ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি), ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) ও শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি (এসএফসিএল) বন্ধ রয়েছে
- 📌 গ্যাস সংকটের কারণে সিইউএফএল গত ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে
- 📌 জেএফসিএলের উৎপাদনও গ্যাসের অভাবে গত ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে
- 📌 টিএসপি কারখানাটি কাঁচামাল সংকটে গত বছরের নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে
- 📌 কৃষি মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, দেশে সারের কোনো সংকট নেই এবং চলতি মাসেই আমদানি করা সার দেশে আসবে
- 📌 বিসিআইসির সাতটি কারখানার দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৭ হাজার ১০০ টন
📰 বিস্তারিত
তীব্র গ্যাস সংকট, যান্ত্রিক ত্রুটি এবং কাঁচামাল সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ছয়টি সার কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। শুধু একটি কারখানা উৎপাদনে রয়েছে। এতে সামনের আমন মৌসুমে সারের সরবরাহ নিয়ে কৃষকসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) অধীনে দেশে সাতটি সার কারখানা রয়েছে। বন্ধ কারখানাগুলোর মধ্যে রয়েছে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল), যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (জেএফসিএল), আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি (এএফসিএল), ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি), ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) এবং শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি (এসএফসিএল)। শুধু ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি (জিপি) সার কারখানা উৎপাদনে রয়েছে।
এ বিষয়ে বিসিআইসির পরিচালক (বাণিজ্য) মো. মনিরুজ্জামান জানান, বিসিআইসির সাত সার কারখানার মধ্যে ছয়টি বন্ধ রয়েছে। তবে ২/১ দিনের মধ্যে সিলেট শাহজালাল ফার্টিলাইজার সার কারখানাটি আবার উৎপাদনে যাবে। উৎপাদন বন্ধ থাকলেও কারখানাটি ‘শাটডাউন’ করা হয়নি।
"আগামী আমন উৎপাদনে সারের কোনো ঘাটতি হবে না। কাতার ও সৌদি আরব থেকে হরমুজ এড়িয়ে বিকল্প পথে সার আমদানি করা হচ্ছে। রাশিয়া ও ব্রুনেই থেকেও সার আমদানির আলোচনা চলছে।"
গ্যাস সংকটের কারণে গত ফেব্রুয়ারি থেকেই সিইউএফএল বন্ধ রয়েছে। আগামী মাসের প্রথম থেকে কারখানাটি চালু হতে পারে বলে জানান কারখানাটির জেনারেল ম্যানেজার (বাণিজ্য) আবদুল্লাহ আল মামুন। জেএফসিএলের উৎপাদনও গ্যাসের অভাবে গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে বন্ধ রয়েছে। এর আগে তিন মাস চালু থেকে এক বছর বন্ধ ছিল কারখানাটি।
কাঁচামালের সংকটে গত বছরের নভেম্বর থেকে টিএসপি কারখানা এখন পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে। এই কারখানায় দৈনিক ২০০ থেকে ৩০০ টন টিএসপি সার উৎপাদন হয়। গ্যাসের অভাবে গত বছরের ১ মার্চ থেকে আশুগঞ্জ সার কারখানা বন্ধ রয়েছে। এই কারখানায় দৈনিক ১১০০ টন সার উৎপাদিত হয়। উৎপাদন বন্ধ থাকায় মাসে ক্ষতি হচ্ছে ১৩৫ কোটি টাকা।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মনিরুজ্জামান, আবদুল্লাহ আল মামুন, জাকির হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭টি কারখানা, ৭ হাজার ১০০ টন দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা, ১৩৫ কোটি টাকা মাসিক ক্ষতি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!