📌 দুদকের অভিযানে রাজধানীর বনানীর ইকবাল সেন্টারের কার্যালয় সিলগালা করা হয়েছে। তিন শতাধিক সম্পদের দলিল, পাঁচ শতাধিক চেক বই, সাতটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র ও দেড় লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে। প্রিমিয়ার গ্রুপের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে চার দিন ধরে অভিযান চালানো হয়।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে রাজধানীর বনানীর ইকবাল সেন্টারের কার্যালয় সিলগালা করা হয়েছে। চার দিন ধরে অভিযান চালানোর পর গত বুধবার কার্যালয়টির নির্দিষ্ট অংশ সিলগালা করা হয়। ইকবাল সেন্টারের ১৬ তলায় অবস্থিত ওই কার্যালয় থেকে তিন শতাধিক সম্পদের দলিল, পাঁচ শতাধিক চেক বই, সাতটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র ও দেড় লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদকের উপপরিচালক মো. হোসাইন শরীফ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইকবাল সেন্টারের ১৬ তলায় অবস্থিত কার্যালয়টি চার দিন অভিযানের পর সিলগালা করা হয়েছে
- 📌 তিন শতাধিক সম্পদের দলিল, পাঁচ শতাধিক চেক বই, সাতটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র ও দেড় লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে
- 📌 জব্দ করা ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি ম্যাকবুক, কয়েকটি মুঠোফোন, একটি নেক্সাস ট্যাব ও একটি আইপ্যাড
- 📌 প্রিমিয়ার গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তফা তালুকদার, প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ও মহাব্যবস্থাপক এ ডি এম নাজমুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে
- 📌 প্রিমিয়ার গ্রুপের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগে অনুসন্ধানে এখন পর্যন্ত ১৬টি মামলা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এইচ বি এম ইকবালের কার্যালয়ে দুদকের অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন দুদকের উপপরিচালক মো. হোসাইন শরীফ। তিনি জানান, পুরো ইকবাল সেন্টার সিলগালা করা হয়নি; শুধুমাত্র ইকবালের চেম্বার ও একটি পরিচালকের কক্ষ সিলগালা করা হয়েছে। একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তল্লাশি ও জব্দতালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
জব্দ করা সম্পদের দলিলের তালিকা প্রায় ৩৭ পৃষ্ঠার। চেক বই পাওয়া গেছে পাঁচ শতাধিক। ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি ম্যাকবুক, কয়েকটি মুঠোফোন, একটি নেক্সাস ট্যাব ও একটি আইপ্যাড। কয়েকটি যন্ত্র ইকবালের ছেলেরা ব্যবহার করতেন বলে কর্মকর্তারা জানান।
এদিকে ইকবালের কার্যালয়ে অভিযান ও সিলগালার মধ্যেই সোমবার প্রিমিয়ার গ্রুপের তিন কর্মকর্তাকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁরা হলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তফা তালুকদার, প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ও মহাব্যবস্থাপক এ ডি এম নাজমুল ইসলাম। তাঁদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ৩ আগস্ট তাঁদের তলব করা হয়েছিল।
"প্রিমিয়ার গ্রুপের অনিয়মের অভিযোগে এখন পর্যন্ত ১৬টি মামলা হয়েছে। আরও পাঁচটি মামলার সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বনানী, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এইচ বি এম ইকবাল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!