📌 ১৪ মাস পর প্রথমবারের মতো ডলার নিলামে বাংলাদেশ ব্যাংক ছয়টি ব্যাংকের কাছে মোট ১ কোটি ১৫ লাখ ডলার বিক্রি করেছে। বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এবং বাড়তি চাহিদা মেটাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ১২৩ টাকা ৩৫ পয়সা
১৪ মাস পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার নিলামের মাধ্যমে ছয়টি ব্যাংকের কাছে মোট ১ কোটি ১৫ লাখ ডলার বিক্রি করেছে। বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এবং বাড়তি ডলার চাহিদা মেটাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোমবার অনুষ্ঠিত এই নিলামে অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলো মোট ২ কোটি ডলারের মধ্যে ১ কোটি ১৫ লাখ ডলার কিনেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৪ মাস পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার নিলামে ১ কোটি ১৫ লাখ ডলার বিক্রি করেছে ছয়টি ব্যাংকের কাছে
- 📌 নিলামে অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলো মোট ২ কোটি ডলারের মধ্যে ১ কোটি ১৫ লাখ ডলার কিনেছে, বাকি ৮৫ লাখ ডলার কেনার সুযোগ ছিল তাদের
- 📌 বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ১২৩ টাকা ৩৫ পয়সা, গড় দর ছিল ১২৩ টাকা ২২ পয়সা
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন, বাজারে ডলারের কোনো সংকট নেই, ব্যাংকগুলোতে পর্যাপ্ত ডলার রয়েছে
- 📌 জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে দেশে আমদানি ব্যয় বেড়েছে, যা বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের চাহিদা বাড়িয়েছে
- 📌 জুলাই মাসে পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য আমদানি ব্যয় ৮৩.৩ শতাংশ বেড়ে ১.৩৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে
- 📌 রেমিট্যান্স কিছুটা বাড়লেও রপ্তানি আয় ১.৬ শতাংশ কমে ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল সোমবার ডলার নিলামের মাধ্যমে ছয়টি ব্যাংকের কাছে মোট ১ কোটি ১৫ লাখ ডলার বিক্রি করেছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং বাড়তি ডলার চাহিদা মেটানো। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, বাজারে ডলারের কোনো সংকট নেই এবং ব্যাংকগুলোর কাছে পর্যাপ্ত ডলার রয়েছে। নিলামে অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলো মোট ২ কোটি ডলারের মধ্যে ১ কোটি ১৫ লাখ ডলার কিনেছে। তারা চাইলে আরও ৮৫ লাখ ডলার কেনার সুযোগ ছিল।
বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ১২৩ টাকা ৩৫ পয়সা। গড় দর ছিল ১২৩ টাকা ২২ পয়সা। কাট অফ রেট ছিল ১২২ টাকা ৮০ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন, বাজারে ডলারের প্রকৃত বিনিময় হার এবং সংকটের পর্যালোচনা করে এই নিলাম ডাকা হয়েছিল। তিনি বলেছেন, সব ব্যাংককে আহ্বান জানানো হলেও মাত্র ছয়টি ব্যাংক অংশগ্রহণ করেছে।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে দেশে আমদানি ব্যয় বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের চাহিদাও বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে দেশের আমদানি ব্যয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮.৬ শতাংশ বেড়ে ৬.৪৪ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। জুলাই মাসে পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য আমদানি ব্যয় ৮৩.৩ শতাংশ বেড়ে ১.৩৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, রেমিট্যান্স কিছুটা বাড়লেও রপ্তানি আয় কমেছে। জুলাই মাসে রপ্তানি আয় ১.৬ শতাংশ কমে ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
"বাজারে ডলারের কোনো সংকট আছে কি না, প্রকৃত বিনিময় হার কত হতে পারে, তা পর্যালোচনা করে থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক। সে লক্ষ্যে মোট ২ কোটি ডলার বিক্রির জন্য নিলাম ডাকা হয়েছিল। সব ব্যাংককে আহ্বান জানানো হলেও মাত্র ছয়টি ব্যাংক অংশগ্রহণ করেছে। তাদের সব প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ ব্যাংক, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আরিফ হোসেন খান (বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ মাস, ১ কোটি ১৫ লাখ ডলার, ৬টি ব্যাংক, ১২২ টাকা ৮০ পয়সা, ১২৩ টাকা ৩৫ পয়সা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!