📌 বাংলাদেশে কাপড় কাচার সাবানের সরবরাহ কমে যাচ্ছে। আমদানিনির্ভর এই পণ্যের দাম ও প্রাপ্যতা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দেশের চাহিদার ৮০ শতাংশই আমদানি করা হয়।
বাংলাদেশে কাপড় কাচার সাবানের সরবরাহ ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে। দেশের চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। সম্প্রতি সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটায় এই পণ্যের প্রাপ্যতা ও দাম নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- বাংলাদেশে কাপড় কাচার সাবানের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৪ কোটি ইউনিট।
- দেশের চাহিদার ৮০ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।
- বর্তমানে সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটায় সাবানের প্রাপ্যতা কমেছে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত।
- আমদানি করা সাবানের মধ্যে জাপান থেকে আসা সাবানের পরিমাণ প্রায় ৯৫ শতাংশ।
- স্থানীয় উৎপাদন বাড়লেও তা চাহিদার তুলনায় খুবই কম। স্থানীয় উৎপাদন মোট চাহিদার মাত্র ৫ শতাংশ।
- আমদানি করা সাবানের দাম গত ছয় মাসে প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বেড়েছে।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বিদেশ থেকে সাবান আমদানি করতে সময় বেশি লাগছে। ফলে বাজারে সাবানের সরবরাহ কমে যাচ্ছে। অন্যদিকে স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চলছে, তবে তা পর্যাপ্ত নয়। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। তবে তা বাস্তবায়নে সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!