📌 দীর্ঘ ৪২ বছর পর সংশোধিত হচ্ছে দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল বিধিমালা। বিনিয়োগ বৃদ্ধি, যাত্রীসেবা উন্নয়ন ও বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলোর সুবিধার্থে নতুন বিধিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বিধিমালায় এমআরও ইউনিট স্থাপন, আন্তর্জাতিক অর্থায়ন সুরক্ষা ও বিমানবন্দরের অগ্নিনিরাপত্তা জোরদার করার প্রস্তাব রয়েছে
দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল বিধিমালা সংশোধনের মাধ্যমে বিনিয়োগবান্ধব ও যাত্রীবান্ধব নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দীর্ঘ ৪২ বছর পর সংশোধিত হতে যাওয়া বিধিমালাটি ব্যবসায়িক কার্যক্রম সহজীকরণ, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন এবং বিমান চলাচলের নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিধিমালাটি সর্বশেষ সংশোধিত হয়েছিল ১৯৮৪ সালে
- 📌 নতুন বিধিমালায় এমআরও ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 আন্তর্জাতিক অর্থায়ন ও লিজিংয়ের অধিকার সুরক্ষায় আইডিইআরএ বিধান যুক্ত করার উদ্যোগ
- 📌 বিমানবন্দরের অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন মাস অন্তর পরিদর্শন ও মহড়ার নির্দেশ
- 📌 দেশকে আঞ্চলিক বিমান চলাচল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য
📰 বিস্তারিত
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত বিধিমালার খসড়া চূড়ান্তকরণ সভায় এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি জানান, বর্তমান সরকার বিমান চলাচল খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। নতুন বিধিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে ব্যবসা ও বিনিয়োগ সহজীকরণের পাশাপাশি যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন এবং বিমান চলাচলের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, বিধিমালা প্রণয়নে বেসরকারি এয়ারলাইনসগুলোর মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, "বেসরকারি এয়ারলাইনসগুলো সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন। বিধিমালা তৈরির প্রক্রিয়ায় তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। বিশেষ করে উড়োজাহাজের জটিল যন্ত্রাংশের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহলের ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা দূর করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"
এছাড়া উড়োজাহাজ-সম্পর্কিত সম্পদের আন্তর্জাতিক অর্থায়ন ও লিজিংয়ের অধিকার সুরক্ষায় নতুন বিধিমালায় আইডিইআরএ সংক্রান্ত বিধান যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, বিমানবন্দরের ভৌত অবকাঠামোর অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন মাস অন্তর পরিদর্শন ও মহড়া আয়োজনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত পরিদর্শন ও মহড়ার মাধ্যমে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বিমানমন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক মানের এমআরও ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, "আন্তর্জাতিক মানের এমআরও সুবিধা গড়ে তুলতে পারলে দেশের অ্যাভিয়েশন খাত আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে আঞ্চলিক অ্যাভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য বাস্তবায়নেও এটি ভূমিকা রাখবে।"
সভা শেষে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল্লাহ আল মামুন বেসরকারি এয়ারলাইনসগুলোর পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন। পরে সরকারি ও বেসরকারি অংশীজনদের মধ্যে বিধিমালার বিভিন্ন প্রস্তাবিত ধারা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
"বেসরকারি এয়ারলাইনসগুলো সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন। বিধিমালা তৈরির প্রক্রিয়ায় তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। বিশেষ করে উড়োজাহাজের জটিল যন্ত্রাংশের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহলের ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা দূর করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সচিবালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত (বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪২ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!