📅 ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রাম বন্দরে পচনশীল পণ্য ধ্বংস শুরু, নিলাম অযোগ্য ১২৬ কনটেইনার

চট্টগ্রাম বন্দরে পচনশীল পণ্য ধ্বংস শুরু, নিলাম অযোগ্য ১২৬ কনটেইনার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা নিলাম অযোগ্য ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংসের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। ৯৩৫ টন খেজুরসহ মোট ১২৬ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা নিলাম অযোগ্য ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংসের কার্যক্রম শুরু করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। গতকাল সোমবার থেকে পরিচালিত এই ধ্বংস কার্যক্রমে খেজুর, কমলা, পেঁয়াজ, কাজুবাদামসহ বিভিন্ন পচনশীল পণ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ধ্বংস করা হচ্ছে মোট ১২৬টি কনটেইনার পণ্য, যার মধ্যে ৯৩৫ টন খেজুর রয়েছে
  • 📌 গত বছরের শেষ দিকে ৩৪টি কনটেইনারে খেজুর আমদানি হলেও মান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়ায় তা নিলাম করা যায়নি
  • 📌 ধ্বংস করা হচ্ছে সোডা অ্যাশ, ফিড গ্রেড লাইমস্টোনসহ আরও কয়েক ধরনের পণ্য
  • 📌 চট্টগ্রাম বন্দর রিপাবলিক ক্লাবের পেছনে নির্ধারিত স্থানে পরিচালিত হচ্ছে ধ্বংস কার্যক্রম

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের শেষ দিকে ৩৪টি কনটেইনারে মোট ৯৩৫ টন খেজুর আমদানি করা হয়েছিল। তবে উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ বিভাগের মান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়ায় এসব খেজুর খালাস করা সম্ভব হয়নি। একই কারণে ধ্বংস করা হচ্ছে কমলা, পেঁয়াজ ও কাজুবাদামও। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

এনবিআরের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, শুধু খেজুর নয়, সোডা অ্যাশ, ফিড গ্রেড লাইমস্টোনসহ মোট ১২৬ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ৪০ কনটেইনার মেয়াদোত্তীর্ণ সোডা অ্যাশ এবং ১৮ কনটেইনার মেয়াদোত্তীর্ণ ফিড গ্রেড লাইমস্টোন। চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা এসব পণ্য নিলামের উপযোগী না হওয়ায় ধ্বংসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এক কর্মকর্তা জানান, পচনশীল ও ক্ষতিকর পণ্য বন্দরে পড়ে থাকায় জায়গা দখল হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ ও বন্দরের নিরাপত্তার জন্যও ঝুঁকি তৈরি হয়। ধ্বংস কার্যক্রমে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বিজিবি, আনসার এবং স্থানীয় বন্দর থানা-পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত থেকে নিরাপত্তা ও সার্বিক সহযোগিতা করছেন।

"দীর্ঘদিন বন্দরে পড়ে থাকা পচনশীল ও ক্ষতিকর পণ্য ধ্বংসের ফলে বন্দরের কনটেইনার জট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। বন্দরের নিরাপত্তা ও পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিলাম-অযোগ্য ও ধ্বংসযোগ্য পণ্য পর্যায়ক্রমে ধ্বংসের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বন্দর, চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস কর্মকর্তা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৩৫ টন খেজুর, ১২৬ কনটেইনার পণ্য

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖