📌 চট্টগ্রামে সরকারি নির্ধারিত ১ হাজার ৫৮৫ টাকার ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার বাজারে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ সংকটের দায়ে খুচরা বিক্রেতা ও পরিবেশকরা একে অপরের দিকে আঙ্গুল তুলছেন।
চট্টগ্রামে সরকারি নির্ধারিত দাম থেকে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দামে এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়ায়া যাচ্ছে না। সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটর কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করলেও বাজারে সরকারি দর থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে। অনেক জায়গায় বাড়তি দামেও পণ্য পাওয়া যাচ্ছে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামে সরকারি দর ১ হাজার ৫৮৫ টাকা থেকে বাজারে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত এলপিজি বিক্রি হচ্ছে
- 📌 সরবরাহ সংকটের দায়ে খুচরা বিক্রেতারা পরিবেশকদের, পরিবেশকরা অপারেটরদের দোষারোপ করছেন
- 📌 ২৩ ও ২৪ সেপ্টেম্বর ১২ কেজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৮৫০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকায় বিক্রি হত, এখন ২ হাজার ১০০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে
- 📌 বিইআরসি জানায়, আমদানিকারকদের দেরিতে সরবরাহের কারণে সংকট তৈরি হয়েছে
- 📌 আন্তর্জাতিক বাজারের ব্যয় ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সরবরাহ চাপে পড়েছে
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামের বাকলিয়া, কোতোয়ালি, চকবাজার ও চান্দগাঁও এলাকার বিভিন্ন এলপিজি বিক্রয়কেন্দ্রে সরকারি নির্ধারিত দর ১ হাজার ৫৮৫ টাকার ১২ কেজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। খুচরা বিক্রেতারা ভোক্তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম নিচ্ছেন। ব্র্যান্ড ও দোকানভেদে দাম ২ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ আড়াই হাজার টাকার মধ্যে রয়েছে।
বিক্রেতারা দোষারোপ করছেন পরিবেশক ও ডিলারদের। তাদের দাবি, চাহিদামতো সরবরাহ না পাওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে পরিবেশক ও ডিলাররা অভিযোগ করছেন, অপারেটরদের কাছ থেকে চাহিদা অনুসারে সরবরাহ পাচ্ছেন না। ট্রাক ভাড়া বৃদ্ধির কারণে পরিবহন ব্যয়ও বেড়েছে।
বাকলিয়ার কালামিয়া বাজারের সিলিন্ডার ব্যবসায়ী মো. নাঈম উদ্দীন বলেন, গত কয়েক দিনে সরবরাহ পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। ডিলারদের কাছ থেকে নিয়মিত সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। কোনো কোম্পানির সরবরাহ পাওয়া গেলেও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। বর্তমানে ১২ কেজির সিলিন্ডার ১ হাজার ৮০০ টাকার ওপরে বিক্রি করতে হচ্ছে।
চাক্তাই এলাকার মদিনা এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. জাকির হোসেন জানান, ওমেরা, টোটাল, বিএম, আইগ্যাস ও ফ্রেশসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দাম বেড়েছে। সরকারি দরে পণ্য না পাওয়ায় খুচরা বিক্রেতারা নির্ধারিত দামে বিক্রি করার সুযোগ পাচ্ছেন না।
বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানান, সেপ্টেম্বর মাসে কিছু প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ে আমদানি করা পণ্য না পাওয়ায় সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, আমদানিকারকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
"আমদানি কমে যাওয়া, আন্তর্জাতিক নৌপথে পরিবহন ব্যয় ও কার্গো প্রিমিয়াম বৃদ্ধি এবং পাইপলাইনের গ্যাস সংকটে এলপিজির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম (বাকলিয়া, কোতোয়ালি, চকবাজার, চান্দগাঁও)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. নাঈম উদ্দীন, মো. জাকির হোসেন, জালাল আহমেদ (বিইআরসি চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ কেজি, ১ হাজার ৫৮৫ টাকা (সরকারি দর), ২ হাজার টাকা (বাজার দর), ১ হাজার ৮০০ টাকা (বর্তমান বিক্রয় দর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!