📅 ২০ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিএসইসির সংশোধিত মার্জিন বিধিমালা নিয়ে বিশ্লেষকদের মতামত: ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হলেও কিছু ক্ষেত্রে আরও সংস্কারের প্রয়োজন

বিএসইসির সংশোধিত মার্জিন বিধিমালা নিয়ে বিশ্লেষকদের মতামত: ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হলেও কিছু ক্ষেত্রে আরও সংস্কারের প্রয়োজন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির সংশোধিত মার্জিন বিধিমালা আগের সংস্কারের চেয়ে উন্নত হলেও কিছু ক্ষেত্রে আরও সংস্কারের সুযোগ রয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মত দিয়েছেন। নতুন বিধিমালায় পিই রেশিওর শর্তসহ ঋণের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কর্তৃক প্রণীত সংশোধিত মার্জিন বা ঋণ বিধিমালা পূর্ববর্তী বিধিমালার তুলনায় অধিকতর উন্নত হয়েছে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত। নতুন বিধিমালায় বাস্তবতার নিরিখে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার ফলে বাজারসংশ্লিষ্টদের জন্য এটি পূর্ববর্তী বিধিমালার তুলনায় অধিক স্বস্তিদায়ক হয়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে বিধিমালাটিকে আরও উন্নত ও বাজারবান্ধব করার সুযোগ রয়েছে বলে তারা মনে করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিএসইসির সংশোধিত মার্জিন বিধিমালায় পিই রেশিওর শর্ত হিসেবে ৪০ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ
  • 📌 নতুন বিধিমালায় কোম্পানির আগের চার প্রান্তিকের ইপিএসের ভিত্তিতে পিই রেশিও হিসাব করা হবে
  • 📌 ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সম্পদমূল্যের হিসাব বিধিমালা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যা বিশ্লেষকদের মতে ঝুঁকি বৃদ্ধির কারণ হতে পারে
  • 📌 বিধিমালায় ঋণের ক্ষেত্রে ১:১ অনুপাত নির্ধারণ করা হয়েছে, অর্থাৎ ১০০ টাকার বিনিয়োগের বিপরীতে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা ঋণ দেওয়া যাবে
  • 📌 ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে মূলধনের চার গুণের বেশি ঋণ দেওয়া যাবে না বলে বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে
  • 📌 শেয়ারের বিপরীতে ঋণ নিতে হলে বিনিয়োগকারীর নিজস্ব বিনিয়োগের পরিমাণ কমপক্ষে তিন লাখ টাকা থাকতে হবে
  • 📌 জীবনবিমা শেয়ারের ক্ষেত্রে পিই রেশিওর পরিবর্তে সম্পদমূল্যের ভিত্তিতে ঋণ দেওয়ার বিধান রয়েছে
  • 📌 বিধিমালায় ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান একক কোনো শেয়ারে তাদের বিতরণ করা ঋণের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ ঋণ দিতে পারবে

📰 বিস্তারিত

বিএসইসির সংশোধিত মার্জিন বিধিমালা নিয়ে বিশ্লেষকরা মনে করেন, পূর্ববর্তী বিধিমালার তুলনায় এটি অধিকতর উন্নত হয়েছে। নতুন বিধিমালায় পিই রেশিওর শর্ত হিসেবে ৪০ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কোম্পানির আগের চার প্রান্তিকের শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএসের যোগফলের ভিত্তিতে পিই রেশিও হিসাব করা হবে বলে বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হবে।

তবে কিছু ক্ষেত্রে বিধিমালাটিকে আরও উন্নত করার সুযোগ রয়েছে বলে তারা মত দিয়েছেন। উদাহরণস্বরূপ, বিধিমালায় ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সম্পদমূল্যের হিসাব অন্তর্ভুক্ত না করার বিষয়টি উল্লেখযোগ্য। বিশ্লেষকরা মনে করেন, সম্পদমূল্যের হিসাব বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে ঋণের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও কম হতো। কারণ, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সম্পদের মান বিবেচনায় না নেওয়ার ফলে ঋণের বিপরীতে সৃষ্ট ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।

বিধিমালায় ঋণের ক্ষেত্রে ১:১ অনুপাত নির্ধারণ করা হয়েছে, অর্থাৎ ১০০ টাকার বিনিয়োগের বিপরীতে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা ঋণ দেওয়া যাবে। বিশ্লেষকরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন, কারণ এটি পূর্ববর্তী বিধিমালার তুলনায় অধিকতর সহজ ও স্বচ্ছ। এছাড়া বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে মূলধনের চার গুণের বেশি ঋণ দেওয়া যাবে না। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হবে।

শেয়ারের বিপরীতে ঋণ নিতে হলে বিনিয়োগকারীর নিজস্ব বিনিয়োগের পরিমাণ কমপক্ষে তিন লাখ টাকা থাকতে হবে বলে বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে। পূর্ববর্তী বিধিমালায় এই সীমা ছিল পাঁচ লাখ টাকা। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই পরিবর্তন অধিক সংখ্যক বিনিয়োগকারীকে ঋণ সুবিধা গ্রহণের সুযোগ করে দেবে। জীবনবিমা শেয়ারের ক্ষেত্রে পিই রেশিওর পরিবর্তে সম্পদমূল্যের ভিত্তিতে ঋণ দেওয়ার বিধান রয়েছে বিধিমালায়। বিশ্লেষকরা মনে করেন, জীবনবিমা কোম্পানিগুলোর লাইফ ফান্ডের সম্পদমান বিবেচনার শর্ত যুক্ত করা গেলে বিধিমালাটি আরও উন্নত হতো।

বিধিমালায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান একক কোনো শেয়ারে তাদের বিতরণ করা ঋণের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ ঋণ দিতে পারবে। পূর্ববর্তী বিধিমালায় এই সীমা ছিল ২৫ শতাংশ। বিশ্লেষকরা এই পরিবর্তনকেও স্বাগত জানিয়েছেন, কারণ এটি ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হবে।

"পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি মার্জিন বা ঋণ বিধিমালার যে সংশোধন এনেছে, সেটি আগের বিধিমালার চেয়ে অনেক ভালো হয়েছে। নতুন করে বেশ কিছু বিষয় এবার বাস্তবতার ভিত্তিতে আমলে নেওয়া হয়েছে। তাই আমি মনে করি, বাজারসংশ্লিষ্টদের জন্য এটি আগের চেয়ে অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিশ্লেষক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০, ৩ লাখ টাকা, ২০ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖