📌 বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সর্বশেষ বোয়িং চুক্তিতে কোনো গোপন লক্ষ্য নেই বলে দাবি করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেছেন, দেশের বিমান চলাচল খাতের উন্নয়ন ও আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান নিশ্চিত করতে বিমান বহর সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ অধিবেশনের সময় স্বাক্ষরিত চুক্তিতে ১১টি অতিরিক্ত বিমান অন্তর্ভুক্ত হয়েছে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সর্বশেষ বোয়িং চুক্তিতে কোনো গোপন লক্ষ্য থাকার কথা নাকচ করে দিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, বাংলাদেশের বিমান চলাচল খাতের উন্নয়ন ও আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে দেশের অবস্থান নিশ্চিত করতে বিমান বহর সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। তিনি আজ সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, এভিয়েশন হাব হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান নিশ্চিত করতে বিমান বহর সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। তিনি দাবি করেন, এতে কোনো গোপন লক্ষ্য নেই এবং বাংলাদেশের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, বোয়িং চুক্তিতে কোনো গোপন লক্ষ্য নেই, বাংলাদেশের বিমান বহর সম্প্রসারণের পেছনে দেশের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
- 📌 ১১টি অতিরিক্ত বিমান কেনার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মধ্যে পাঁচটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার এবং ছয়টি ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ রয়েছে।
- 📌 চলতি বছরে বোয়িংয়ের কাছে বিমান ক্রয়াদেশ মোট ২৫টি উড়োজাহাজে দাঁড়িয়েছে, যা আগের চুক্তির তুলনায় ১৩টি অতিরিক্ত বিমান অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- 📌 বোয়িং জানিয়েছে, নতুন বিমানগুলো বিমানের দক্ষতা, বহুমুখিতা ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়াবে এবং জ্বালানি সাশ্রয় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।
- 📌 নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের সময় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
📰 বিস্তারিত
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশের বিমান চলাচল খাতের উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে দেশের অবস্থান নিশ্চিত করতে বিমান বহর সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এখানে কোনো গোপন এজেন্ডা নেই। বাংলাদেশ তার প্রয়োজনের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, বিমান বহর সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের বিমান চলাচল খাতের উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন বলেন, সম্পূরক চুক্তিটি জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থার দীর্ঘমেয়াদি বহর আধুনিকায়ন ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের অংশ। তিনি বলেন, ‘আমাদের বহর পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট প্রয়োজনের ভিত্তিতেই এ ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়েছে।’ তিনি দাবি করেন, বোয়িংয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিনের কার্যকর সম্পর্ক উড়োজাহাজ সরবরাহ এবং পরবর্তী সহায়তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে বাংলাদেশের আস্থা তৈরি করেছে।
বোয়িংয়ের কর্মকর্তা ব্র্যাড ম্যাকমুলেন বলেন, ‘এই অতিরিক্ত ৭৮৭ ড্রিমলাইনার ও ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজগুলো বৈশ্বিক এভিয়েশনে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা জোরদারে বিমানের প্রয়োজনীয় দক্ষতা, বহুমুখিতা ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করবে।’ তিনি আরও বলেন, নতুন বিমানগুলো জ্বালানি সাশ্রয় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে এবং বিদ্যমান বিমান বহরের সাথে সারিবদ্ধভাবে কাজ করবে।
"এভিয়েশন হাব হতে হলে আমাদের বিমান বহর সম্প্রসারণ করতে হবে। এখানে কোনো গোপন এজেন্ডা নেই। বাংলাদেশ তার প্রয়োজনের ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।" — পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক (জাতিসংঘ অধিবেশন), বাংলাদেশ (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, রুমী এ হোসেন, ব্র্যাড ম্যাকমুলেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১টি অতিরিক্ত বিমান, ২৫টি মোট বিমান ক্রয়াদেশ, ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার (৫টি), ৭৩৭-৮ (৬টি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!