📌 বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে যে কোনো হিসাব অবরুদ্ধ করার পর ওই হিসাবের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য হিসাবের তথ্যও দ্রুত জানাতে হবে। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী জারি করা নতুন নির্দেশনায় সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্তকরণ প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
ঢাকা: বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এর মাধ্যমে কোনো হিসাব স্থগিত বা অবরুদ্ধ করার পর ওই হিসাবের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য হিসাবের তথ্যও বিএফআইইউকে অবহিত করতে হবে। বুধবার (১৯ আগস্ট) জারি করা সার্কুলারে বিএফআইইউ জানায়, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৫) এবং সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধিত ২০১৩)-এর অধীনে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কোনো ব্যাংক হিসাব স্থগিত বা অবরুদ্ধ করার আদেশ পেলে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য হিসাবের তথ্যও বিএফআইইউকে জানাতে হবে
- 📌 সন্দেহজনক হিসাবের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অন্য হিসাবগুলোর তথ্য দ্রুত জানানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে
- 📌 নতুন নির্দেশনায় অর্থের গতিপথ শনাক্ত এবং সন্দেহজনক লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত হিসাবগুলো চিহ্নিত করার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে
- 📌 নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এর মাধ্যমে কোনো হিসাব স্থগিত বা অবরুদ্ধ করার পর ওই হিসাবের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য হিসাবের তথ্যও বিএফআইইউকে অবহিত করতে হবে। বুধবার (১৯ আগস্ট) জারি করা সার্কুলারে বিএফআইইউ জানায়, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৫) এবং সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধিত ২০১৩)-এর অধীনে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো হিসাব স্থগিত বা অবরুদ্ধ করার আদেশ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ওই হিসাবের স্থিতি ও অন্যান্য হিসাবের তথ্য অবিলম্বে বিএফআইইউকে জানাতে হবে। বিশেষ করে সন্দেহজনক হিসাবের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অন্য হিসাবগুলোর তথ্য দ্রুত জানানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর ফলে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একটি হিসাবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পর একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত অন্য হিসাবগুলোও নজরদারির আওতায় আনা সহজ হবে।
বিএফআইইউ মূলত মানিলন্ডারিং, সন্ত্রাসে অর্থায়ন ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক অপরাধ শনাক্ত ও প্রতিরোধে কাজ করে। সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তা পাঠানোও সংস্থাটির অন্যতম দায়িত্ব। নতুন নির্দেশনার ফলে কোনো হিসাব স্থগিত বা অবরুদ্ধ হওয়ার পর শুধু ওই নির্দিষ্ট হিসাবের লেনদেন নয়, তার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্য হিসাবগুলোর তথ্যও বিএফআইইউর কাছে দ্রুত পৌঁছাবে।
"মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৫)–এর সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী কোনো হিসাব স্থগিতকরণ বা অবরুদ্ধকরণের আদেশ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট রিপোর্ট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে ওই হিসাবের স্থিতি ও ওই হিসাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য হিসাবের তথ্য অবিলম্বে বিএফআইইউকে অবহিত করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিএফআইইউ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!