📌 বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থ পাচার প্রতিরোধে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে যৌথ স্টিয়ারিং কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান ও সমন্বয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে গঠিত এই কমিটি নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে অর্থ পাচারের ঝুঁকি শনাক্ত ও প্রতিরোধে কাজ করবে
বাণিজ্যভিত্তিক অর্থ পাচার প্রতিরোধে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার করতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আদলে একটি আন্তসংস্থা স্টিয়ারিং কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কমিটির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি, তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং অর্থ পাচারের ঝুঁকি শনাক্তকরণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে বিএফআইইউ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাণিজ্যভিত্তিক অর্থ পাচার প্রতিরোধে পিপিপি মডেলে যৌথ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত বিএফআইইউর
- 📌 কমিটির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান ও সমন্বয় বৃদ্ধির উদ্যোগ
- 📌 বৈঠকে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, কাস্টমস গোয়েন্দা বিভাগসহ ১৫টি তফসিলি ব্যাংকের প্রতিনিধিরা
- 📌 অর্থ পাচারের ধরন ও কৌশল পরিবর্তনের কারণে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থ পাচার প্রতিরোধে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার করতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আদলে একটি আন্তসংস্থা স্টিয়ারিং কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কমিটির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি, তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং অর্থ পাচারের ঝুঁকি শনাক্তকরণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে বিএফআইইউ।
গত রোববার বিএফআইইউর আয়োজনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি), কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত পরিদপ্তর (সিআইআইডি), ঢাকা কাস্টম হাউস, বেনাপোল কাস্টম হাউস, আইসিডি কমলাপুর ও মোংলা কাস্টম হাউসের প্রতিনিধিরা। এছাড়া বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং ১৫টি তফসিলি ব্যাংকের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা জানান, বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থ পাচারের পদ্ধতি ও কৌশল ক্রমেই পরিবর্তিত ও জটিল হয়ে উঠছে। ফলে প্রচলিত নজরদারি ব্যবস্থার পাশাপাশি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তাঁরা বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, ব্যাংক ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের মধ্যে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে হবে।
"বাণিজ্যভিত্তিক অর্থ পাচার কার্যকরভাবে শনাক্ত ও প্রতিরোধের জন্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ, কার্যকর তথ্য বিনিময় ব্যবস্থা এবং শক্তিশালী ঝুঁকি বিশ্লেষণ কাঠামো গড়ে তোলা জরুরি। শুধু একটি সংস্থার নজরদারির মাধ্যমে এ ধরনের অপরাধ মোকাবিলা করা কঠিন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিএফআইইউ কর্মকর্তা, অংশগ্রহণকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫টি তফসিলি ব্যাংক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!