📌 আবুধাবির সার্বভৌম তহবিল মুবারদালা ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে চীনের জনপ্রিয় কফি চেইন লাকিন কফিতে। এই বিনিয়োগের মাধ্যমে আবুধাবি চীনের ভোক্তা অর্থনীতি ও প্রযুক্তি খাতের সম্প্রসারণে বাজি ধরছে। লাকিন কফি বর্তমানে চীনের বৃহত্তম কফি চেইন হিসেবে পরিচিত
আবুধাবির সার্বভৌম সম্পদ তহবিল মুবারদালা ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে চীনের জনপ্রিয় কফি চেইন লাকিন কফিতে। এই বিনিয়োগের মাধ্যমে আবুধাবি চীনের ভোক্তা অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে দীর্ঘমেয়াদি বাজি ধরছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সিএনএন জানিয়েছে, লাকিন কফি বর্তমানে ৩৬ হাজারটিরও বেশি স্টোর নিয়ে চীনের অন্যতম বৃহত্তম কফি চেইন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আবুধাবির মুবারদালা ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে চীনের লাকিন কফিতে
- 📌 লাকিন কফি বর্তমানে চীনে ৩৬ হাজারটিরও বেশি স্টোর পরিচালনা করছে
- 📌 মুবারদালা ২০১৫ সাল থেকে চীনে শতাধিক বিনিয়োগ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে ফাস্ট-ফ্যাশন ব্র্যান্ড শেইন ও ওষুধ ব্যবসা
- 📌 লাকিন কফি ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও ২০১৯ সালে হিসাব জালিয়াতির কারণে নাসডাক থেকে তালিকাচ্যুত হয়েছিল
- 📌 মুবারদালার প্রযুক্তিনির্ভর বিনিয়োগ কৌশল লাকিনের অ্যাপভিত্তিক ব্যবসায়িক মডেলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ
- 📌 লাকিন কফি বর্তমানে চীন ছাড়াও সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও নিউইয়র্কে কার্যক্রম পরিচালনা করছে
📰 বিস্তারিত
লাকিন কফিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে আবুধাবি চীনের ভোক্তা অর্থনীতি ও প্রযুক্তিনির্ভর খাতের বিকাশে বাজি ধরেছে। মুবারদালা ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি ৩৮ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের সম্পদ নিয়ে এই বিনিয়োগ করেছে। গত এক দশকে চীনে ২০০০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে মুবারদালা। এর মধ্যে রয়েছে ফাস্ট-ফ্যাশন জায়ান্ট শেইন, চীনে ইউসিবির ওষুধ ব্যবসা এবং দেশটির শত শত শপিং মল পরিচালনাকারী নিউল্যান্ড কমার্শিয়াল ম্যানেজমেন্ট।
২০২৩ সালে মুবারদালা বেইজিংয়ে আনুষ্ঠানিক কার্যালয় খুলে চীনা কোম্পানি ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করেছে। ইনসিয়াড আবুধাবির অধ্যাপক কিয়ারা স্পিনা বলেছেন, চীনের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ধীর হলেও ভোগব্যয় ও প্রযুক্তিনির্ভর খাতের বিকাশ বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি করছে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলো তেলনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে বিনিয়োগ বহুমুখী করতে চায়।
লাকিন কফি ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও ২০১৯ সালে হিসাব জালিয়াতির কারণে নাসডাক থেকে তালিকাচ্যুত হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটি ঘুরে দাঁড়িয়ে চীনের অন্যতম শীর্ষ কফি ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে। তরুণ ও প্রযুক্তিনির্ভর ভোক্তাদের লক্ষ্য করে সস্তা পানীয়, নতুন নতুন পণ্য এবং অ্যাপভিত্তিক অর্ডার ব্যবস্থাকে ব্যবসার মূল শক্তি করেছে লাকিন। মুবারদালার প্রযুক্তিনির্ভর বিনিয়োগ কৌশলের সঙ্গে এই মডেলের সামঞ্জস্যই বিনিয়োগের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
লাকিন কফি বর্তমানে চীন ছাড়াও সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সম্প্রতি নিউইয়র্কেও প্রবেশ করেছে তারা। কোম্পানিটির বৃহত্তম শেয়ারহোল্ডার সেন্টুরিয়াম ক্যাপিটালের অংশীদার মাইকেল চেন বলেছেন, মুবারদালার সঙ্গে সম্পর্ক ভবিষ্যতে বিদেশে লাকিনের সম্প্রসারণে সহায়ক হতে পারে। এর মাধ্যমে উপসাগরীয় অঞ্চলের বাজারেও প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে।
"চীনের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ধীর হলেও ভোগব্যয় ও প্রযুক্তিনির্ভর খাতের বিকাশ বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি করছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চীন, আবুধাবি, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, নিউইয়র্ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কিয়ারা স্পিনা (অধ্যাপক), মাইকেল চেন (সেন্টুরিয়াম ক্যাপিটাল)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ বিলিয়ন ডলার, ৩৬ হাজার স্টোর, ৩৮ হাজার ৫০০ কোটি ডলার, ২০০০ কোটি ডলার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!