📌 চট্টগ্রামে সাইবার পুলিশ সেন্টার উদ্বোধিত হয়েছে। এখানে মুঠোফোন, কম্পিউটার থেকে মুছে ফেলা তথ্য উদ্ধার ও সাইবার অপরাধ শনাক্ত করা যাবে। ঢাকায় পাঠাতে হতো এমন পরীক্ষা এখন চট্টগ্রামেই করা যাবে।
চট্টগ্রামে গতকাল বুধবার সাইবার পুলিশ সেন্টার উদ্বোধন করা হয়েছে। এই সেন্টার থেকে মুঠোফোন, ল্যাপটপ, ডিভাইস থেকে মুছে ফেলা তথ্য উদ্ধার ও সাইবার অপরাধ শনাক্ত করা যাবে। এতে ঢাকায় পাঠাতে হতো এমন ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষা এখন চট্টগ্রামেই করা যাবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামে উদ্বোধিত সাইবার পুলিশ সেন্টারে ৫৯ কোটি ৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকা ব্যয়ে তৈরি করা হয়েছে কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির সহায়তায়
- 📌 চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে মামলা রয়েছে ১ হাজার ১১টি, এর মধ্যে বিচারাধীন ৯৬৭টি
- 📌 চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাইবার আইনে মামলা হয়েছে মাত্র ৫০টি, কিন্তু ভুক্তভোগীরা সাধারণত ডায়েরি করে থাকেন
- 📌 সাইবার পুলিশ সেন্টার থেকে মুছে ফেলা তথ্য, মেমোরি ডাম্প, হার্ড ড্রাইভের ফাঁকা ফোল্ডার, ডিভাইস থেকে ডেটা উদ্ধার ও বিশ্লেষণ করা যাবে
- 📌 ফেসবুকে অপপ্রচার বা গুজব শনাক্তের জন্য এই সেন্টার প্রযুক্তির সাহায্য নেবে
📰 বিস্তারিত
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ গতকাল চট্টগ্রামের দামপাড়া পুলিশ লাইনে সিআইডি কার্যালয়ের পাশে সাইবার পুলিশ সেন্টার উদ্বোধন করেন। এই সেন্টার থেকে চট্টগ্রাম বিভাগের ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষা করা যাবে। এতে মুঠোফোন, ল্যাপটপসহ ১৭০টি ডিভাইসের ফরেনসিক পরীক্ষা সহজতর হবে।
সিআইডি ঢাকার অতিরিক্ত ডিআইজি সরদার রুকন উজ্জামান জানান, ৫৯ কোটি ৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকা ব্যয়ে এই সেন্টার তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, “এখন থেকে চট্টগ্রাম বিভাগের ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠাতে হবে না। চট্টগ্রামেই পরীক্ষা করা যাবে। এতে সময় কম লাগবে।”
চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে মামলা রয়েছে ১ হাজার ১১টি। এর মধ্যে ৯৬৭টি বিচারাধীন। উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিতাদেশ রয়েছে ২৮টি মামলায়। পাঁচ বছরের বেশি বিচারাধীন ৬৫টি এবং ১০ বছরের বেশি বিচারাধীন ১৪টি মামলা রয়েছে।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাইবার আইনে মামলা হয়েছে মাত্র ৫০টি। তবে ভুক্তভোগীরা সাধারণত ডায়েরি করে থাকেন। প্রকল্প পরিচালক সরদার রুকন উজ্জামান বলেন, “অনেকেই লোকলজ্জা বা ঝামেলা এড়াতে মামলা করেন না।”
সাইবার পুলিশ সেন্টারের মাধ্যমে মুছে ফেলা তথ্য, মেমোরি ডাম্প, হার্ড ড্রাইভের ফাঁকা ফোল্ডার, বিভিন্ন জটিল ফাইলের ফরেনসিক পরীক্ষা করা যাবে। এছাড়াও, মুঠোফোন, ট্যাব, জিপিএস, ডিভাইস, ড্রোন থেকে ডেটা উদ্ধার ও বিশ্লেষণ করা যাবে।
"এখন থেকে চট্টগ্রাম বিভাগের ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠাতে হবে না। চট্টগ্রামেই পরীক্ষা করা যাবে। এতে সময় কম লাগবে।"
সাইবার পুলিশ সেন্টার থেকে ফেসবুকে অপপ্রচার বা গুজব শনাক্তের জন্য প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হবে। এতে সাইবার অপরাধ রোধ ও আগাম ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, দামপাড়া পুলিশ লাইন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সরদার রুকন উজ্জামান, উপপুলিশ কমিশনার শামীম হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৩ বিদেশি নাগরিক, ১৭০টি ডিভাইস, ১ হাজার ১১টি মামলা, ৯৬৭টি বিচারাধীন মামলা, ৫৯ কোটি ৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!