📌 উসমান খাজার আসন্ন আত্মজীবনীতে ২০১৮ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে বল টেম্পারিং নিয়ে নতুন দাবি উঠে এসেছে। অস্ট্রেলিয়ার কোচ ড্যারেন লেম্যান এই দাবিকে অস্বীকার করে বলেছেন, খাজা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বই লিখছেন বলে মনে করছেন
উসমান খাজার আসন্ন আত্মজীবনী ‘সবর’ দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের ২০১৮ সালের বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারির পুরোনো ক্ষত আবার খুলে দিচ্ছে। বইয়ে নতুন তথ্য তুলে ধরার কারণে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক কোচ ড্যারেন লেম্যানের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। লেম্যানের মতে, খাজা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে এই বই লিখছেন বলে মনে করছেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খাজার আত্মজীবনীতে দাবি: ২০১৮ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে দলের সবাই জানতেন বল টেম্পারিংয়ের ঘটনা
- 📌 লেম্যান অস্বীকার: দলের সবাই জানতেন না বল টেম্পারিংয়ের ঘটনা, বইয়ের পেছনে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে
- 📌 খাজা দাবি: দ্বিতীয় টেস্টেও বল টেম্পারিং নিয়ে আলোচনা ও প্রয়োগ হয়েছিল — এ দাবি আগে প্রকাশ্যে আসেনি
- 📌 লেম্যানের মন্তব্য: বল টেম্পারিং ১৫০ বছর ধরে হয়ে আসছে, কিন্তু কীভাবে করা হয় তা আসল বিষয়
- 📌 খাজা বলেন: সিরিশ কাগজ ব্যবহারের ঘটনার আগে ব্যানক্রফটের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল — লেম্যানের জানা ছিল না
- 📌 লেম্যান স্বীকার: সিরিজের শেষ টেস্টের আগে পদত্যাগ করলেও বল টেম্পারিংয়ের পরিকল্পনা সম্পর্কে কিছুই জানতেন না
📰 বিস্তারিত
২০১৮ সালের কেপটাউন টেস্টের বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারি থেকে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের পথ এগিয়ে গিয়েছিল বলে মনে করতেন ড্যারেন লেম্যান। কিন্তু উসমান খাজার আসন্ন আত্মজীবনী ‘সবর’ আবার সেই পুরোনো ক্ষত খুলে দিচ্ছে। খাজা দাবি করেছেন, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেই টেস্টে বল টেম্পারিংয়ের ঘটনা দলের সবাই জানতেন। তবে লেম্যান এই দাবিকে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, দলের সবাই জানতেন না বল টেম্পারিংয়ের ঘটনা।
খাজার আত্মজীবনীতে আরও একটি নতুন দাবি উঠে এসেছে। তিনি দাবি করেছেন, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টেও বল টেম্পারিং নিয়ে আলোচনা হয়েছিল এবং তা প্রয়োগও করা হয়েছিল। এ দাবি আগে প্রকাশ্যে আসেনি। তবে লেম্যান জানিয়েছেন, তিনি দ্বিতীয় টেস্টে বল টেম্পারিং নিয়ে কোনো আলোচনার কথা জানেন না। তিনি বলেছেন, ‘না, না। তবে ক্রিকেট নিয়ে নানা বিষয়ে সব সময়ই আলোচনা হয়। রিভার্স সুইং কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, তা নিয়ে কথা হয়েছিল। দক্ষিণ আফ্রিকা খুব ভালো রিভার্স সুইং করাচ্ছিল।’
২০১৮ সালের ঘটনার দিন টেলিভিশন ক্যামেরায় সিরিশ কাগজ দিয়ে বল বিকৃত করার দৃশ্য ধরা পড়েছিল। খাজা দাবি করেছেন, সেই দৃশ্য প্রকাশ্যে আসার আগে এক কোচের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল ব্যানক্রফটের। তবে লেম্যানের জানা ছিল না এই ঘটনা। খাজা বলেছেন, সেদিন ড্রেসিংরুমে তিনি সতীর্থদের উদ্দেশে দলীয়ভাবে ঘটনার দায় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে লেম্যান এই দাবিকে অস্বীকার করেননি, তবে বলেন, সেদিন নিউল্যান্ডসে দুটি আলাদা ড্রেসিংরুম ছিল এবং বিভিন্ন জায়গায় বৈঠক চলছিল।
লেম্যান জানিয়েছেন, বল টেম্পারিং ১৫০ বছর ধরে হয়ে আসছে, কিন্তু কীভাবে করা হয় তা আসল বিষয়। তিনি বলেছেন, ‘বল টেম্পারিং ১৫০ বছর ধরেই হয়ে আসছে। কিন্তু কীভাবে করা হচ্ছে, সেটাই আসল বিষয়।’ খাজার বই প্রকাশের খবর সামনে আসার পর লেম্যানের মানসিকভাবে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার পর চার মাস বাড়ি থেকে বের হননি। এ বিষয়ে খাজার সঙ্গে তাঁর কোনো যোগাযোগও হয়নি।
"বই তো বিক্রির জন্যই লেখা হয়। সে অবসর নিয়েছে, এখন এসব বলছে। আমি জানি না, এসব লেখার জন্য সে কত টাকা পাচ্ছে। তবে সম্ভবত অনেক টাকা পাচ্ছে। এটা কি আদৌ সার্থক? জানি না। হয়তো আমিও একটা বই লিখব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দক্ষিণ আফ্রিকা (কেপটাউন), অস্ট্রেলিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উসমান খাজা, ড্যারেন লেম্যান, স্টিভ স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার, ক্যামেরন ব্যানক্রফট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫০ বছর (বল টেম্পারিংয়ের ইতিহাস), ৯ মাস (ব্যানক্রফটের নিষেধাজ্ঞা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!