📌 লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রোমাঞ্চকর খেলায় শাদাব খানের সেঞ্চুরি ও রউফ-হারিসের ৮৯ রানের জুটি নিয়ে পাকিস্তান ফাইনালে উঠে। ইংল্যান্ডের চাপে ভেঙে যায় ১৯৭৫ সালের ৫৭ রানের জুটির ৫১ বছরের পুরোনো রেকর্ড
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় সিরিজের রোমাঞ্চকর ওয়ানডে ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাকিস্তান রোমাঞ্চকরভাবে ফাইনালে উঠে। শাদাব খানের সেঞ্চুরি ও রউফ-হারিসের শেষ উইকেটে ৮৯ রানের জুটি নিয়ে পাকিস্তান ৬ পয়েন্ট নিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছে। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে শাদাবের সেঞ্চুরি ও রউফের জয়ের আঘাত ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে ফাইনালে পাকিস্তানের যাত্রা শুরু করে দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শাদাব খান ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি (৯৭ রান) তুলে নিয়ে পাকিস্তানকে ফাইনালে নিয়ে যান
- 📌 রউফ-হারিসের শেষ উইকেটে ৮৯ রানের জুটি গড়ে ভেঙে যায় ১৯৭৫ সালের ৫৭ রানের জুটির ৫১ বছরের পুরোনো রেকর্ড
- 📌 ইংল্যান্ডের গাস অ্যাটকিনসন ও হেনরি ক্রোকোম্বের বোলিংয়ে পাকিস্তানের টপ অর্ডার ধ্বংস হয়ে যায় — ফখর জামান (১০), বাবর আজম (১০), সাইম আইয়ুব (৬) সকলেই দ্রুত বিদায় নেন
- 📌 ৪৪.২ ওভারে ম্যাচ শেষ হতে পারত, কিন্তু শাদাবের ব্যাটের কানা স্পর্শে রিভিউতে বলকে আউট থেকে বাঁচান
- 📌 পাকিস্তান ২৪২ রানের লক্ষ্যে ৬.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ৩১ রানে পৌঁছায়, কিন্তু টপ অর্ডার ধ্বংসের পর ৩৩.৫ ওভারে ৯ উইকেটে ১৫৪ রানে পরিণত হয়
- 📌 ইংল্যান্ডের ডেনিয়েল জ্যাকসের বোল্ডে রাজাউল্লা (৮) আউট হয়ে যায়, যা ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করে
📰 বিস্তারিত
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজের ওয়ানডে ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাকিস্তান রোমাঞ্চকরভাবে ফাইনালে উঠে। ম্যাচের ৪৪.২ ওভারে ম্যাচ শেষ হতে পারত, কিন্তু শাদাব খানের ব্যাটের কানা স্পর্শে বলকে আউট থেকে বাঁচান। রিভিউতে দেখা যায়, বল শাদাবের ব্যাটের কানা স্পর্শ করেছে। সেই মুহূর্তে পাকিস্তানের স্কোর ছিল ৯ উইকেটে ২২১ রান, আর শাদাবের রান ছিল ৯৭। এই সেঞ্চুরি ছিল তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি।
পাকিস্তানের টপ অর্ডার ধ্বংসের পর চাপে পড়া দলকে টেনে তোলার দায়িত্ব নেন সালমান আলী আগা ও সাদ বাইগ। তৃতীয় উইকেটে ৩১ বলে ৪৩ রানের জুটি গড়ে তারা দলকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন। কিন্তু জেমি ওভারটনের বোলিংয়ে এই জুটি ভেঙে যায়। সাদ বাইগ ২২ বলে ৭ চারে ৩২ রান করেন।
ইংল্যান্ডের পক্ষে গাস অ্যাটকিনসন ও হেনরি ক্রোকোম্বের বোলিংয়ে পাকিস্তানের টপ অর্ডার ধ্বংস হয়ে যায়। ফখর জামান ও বাবর আজম উভয়ই ১০ রান করে আউট হন। সাইম আইয়ুব এক অঙ্কের ঘরে (৬) আউট হন। এই ম্যাচে হেনরি ক্রোকোম্বের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়।
"চাপ সামলে স্বাগতিকদের ১ উইকেটের রোমাঞ্চকর জয় এনে দেন তিনি।"
শাদাব খানের সেঞ্চুরি ও রউফ-হারিসের শেষ উইকেটে ৮৯ রানের জুটি গড়ে ভেঙে যায় ১৯৭৫ সালের ৫৭ রানের জুটির ৫১ বছরের পুরোনো রেকর্ড। এই জুটি নিয়ে পাকিস্তান ৬ পয়েন্ট নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে পৌঁছেছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়াম, পাকিস্তান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাদাব খান, রউফ, সালমান আলী আগা, সাদ বাইগ, ফখর জামান, বাবর আজম, সাইম আইয়ুব, গাস অ্যাটকিনসন, হেনরি ক্রোকোম্বে, ডেনিয়েল জ্যাকস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৭ (শাদাবের সেঞ্চুরি), ৮৯ (রউফ-হারিসের জুটি), ২২১ (পাকিস্তানের স্কোর), ৬ (পয়েন্ট), ৫১ (বছর), ৫৭ (রানের জুটি), ২৪২ (লক্ষ্য), ৩১ (রান), ১৫৪ (স্কোর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!