📌 পাকিস্তানের টেস্ট ক্রিকেটার মোহাম্মদ রিজওয়ানের ফোন জব্দের বিরুদ্ধে লাহোর হাইকোর্ট তার আবেদন খারিজ করে দিলে তিনি আইসিসির কাছে গেছেন। ইংল্যান্ড সফরের সময় পাকিস্তান সাইবার তদন্তকারী সংস্থা এনসিসিআইএর তদন্তে জড়িত থাকার অভিযোগে রিজওয়ানের ফোন জব্দ করা হয়
পাকিস্তানের টেস্ট ক্রিকেটার মোহাম্মদ রিজওয়ানের ফোন জব্দের বিরুদ্ধে লাহোর হাইকোর্ট তার আইনি আবেদন খারিজ করে দিলে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এর কাছে গেছেন। ইংল্যান্ড সফরের সময় পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন (এনসিসিআইএ) এর তদন্তে জড়িত থাকার অভিযোগে রিজওয়ানের ফোন জব্দ করা হয়। এনসিসিআইএর তদন্তের অংশ হিসেবে রিজওয়ান ও টেস্ট ওপেনার ইমাম-উল-হককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোহাম্মদ রিজওয়ানের ফোন ইংল্যান্ড সফরের সময় পাকিস্তান সাইবার তদন্তকারী সংস্থা এনসিসিআইএর তদন্তে জব্দ করা হয় এবং ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাকিস্তানে পাঠানো হয়।
- 📌 লাহোর হাইকোর্ট রিজওয়ানের আদালতের আবেদন খারিজ করে দেয়, কারণ বিচারপতি আলিয়া নীলম আইনজীবীর ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
- 📌 রিজওয়ান আইসিসির অ্যান্টি-করাপশন ইউনিটের কাছে গিয়ে জানতে চেয়েছেন, ফোন জব্দ ও ফরেনসিক পরীক্ষার প্রক্রিয়া আইসিসির ধারা অনুযায়ী হয়েছে কি না।
- 📌 ইমাম-উল-হকসহ সাত ক্রিকেটার ও দুজন কোচকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) টেস্ট দল থেকে বাদ দেয়।
- 📌 তদন্তের অংশ হিসেবে রিজওয়ান ও ইমাম-উল-হককে প্রায় দুই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
📰 বিস্তারিত
পাকিস্তানের টেস্ট ক্রিকেটার মোহাম্মদ রিজওয়ানের ফোন জব্দের ঘটনা এখনো অব্যাহত। ইংল্যান্ড সফরের সময় পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন (এনসিসিআইএ) এর তদন্তে জড়িত থাকার অভিযোগে রিজওয়ানের ফোন জব্দ করা হয়। ইংল্যান্ড সফর চলাকালে পাকিস্তানের ড্রেসিংরুমের তথ্য ফাঁসের অভিযোগ উঠলে এনসিসিআইএ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের অংশ হিসেবে রিজওয়ান ও টেস্ট ওপেনার ইমাম-উল-হককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। লাহোরের কার্যালয়ে হাজির হওয়ার সময় প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে তাদের প্রশ্ন করা হয়। ইংল্যান্ডে অনুশীলন ও ম্যাচের সময় তাদের কার সঙ্গে যোগাযোগ এবং কার সঙ্গে দেখা হয়েছিল, এসব বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়।
রিজওয়ান এনসিসিআইএর তলব পাওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, সংস্থাটির নোটিশে অনলাইন বেটিং ও জুয়া নিয়ে তদন্তের কথা বলা হলেও তাঁর বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ উল্লেখ করা হয়নি। এনসিসিআইএর সামনে হাজির হওয়ার পর রিজওয়ান অভিযোগের বিস্তারিত জানতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁকে স্পষ্ট কোনো উত্তর দেওয়া হয়নি। এ কারণে তিনি লাহোর হাইকোর্টে আবেদন করেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার লাহোর হাইকোর্টে শুনানির সময় রিজওয়ানের আইনজীবী জানান, তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। কিন্তু শুনানির এক পর্যায়ে প্রধান বিচারপতি আলিয়া নীলম আইনজীবীর ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এরপরই রিজওয়ানের আবেদন খারিজ করে দেন লাহোর হাইকোর্ট।
আদালতের খারিজের পর রিজওয়ান আইসিসির অ্যান্টি-করাপশন ইউনিটের কাছে গেছেন। তিনি জানতে চেয়েছেন, তাঁর মুঠোফোন জব্দ করা, সেটি ইংল্যান্ড থেকে পাকিস্তানে নেওয়া এবং ফরেনসিক পরীক্ষা করার বিষয়ে আইসিসি বা ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড কিছু জানত কি না, কিংবা তারা এতে জড়িত ছিল কি না। জিও নিউজের খবর অনুযায়ী, রিজওয়ানের এই অনুসন্ধান কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ হিসেবে করা হয়নি। বরং তিনি জানতে চেয়েছেন, পুরো প্রক্রিয়াটি আইসিসির অ্যান্টি-করাপশন ধারা অনুযায়ী হয়েছে কি না।
"আমি জানতে চেয়েছি, পুরো প্রক্রিয়াটি আইসিসির অ্যান্টি-করাপশন ধারা অনুযায়ী হয়েছে কি না।" — মোহাম্মদ রিজওয়ান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইংল্যান্ড, পাকিস্তান (লাহোর), লাহোর হাইকোর্ট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইমাম-উল-হক, বিচারপতি আলিয়া নীলম, আইনজীবী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ ঘণ্টা (জিজ্ঞাসাবাদ সময়), ৭ জন ক্রিকেটার (টেস্ট দল থেকে বাদ পড়া)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!