📌 ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে হত্যার পর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে নিজেই আত্মসমর্পণ করেন এক নারী। রাজধানীর সবুজবাগ থানায় গ্রেপ্তার হওয়া রেহেনা আক্তার পারিবারিক কলহ ও স্বামীর পরকীয়ার কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটান বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে
রাজধানীর সবুজবাগ থানার নন্দীপাড়া বড় মসজিদ এলাকায় স্বামী হত্যার ঘটনায় জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে নিজেই আত্মসমর্পণ করেছেন এক নারী। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে ৯৯৯ নম্বরে কল করেন রেহেনা আক্তার (৪০)।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্বামী মাহফুজুর রহমানকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেন রেহেনা আক্তার
- 📌 হত্যাকাণ্ডের পর নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে নিজের অবস্থান জানান দেন তিনি
- 📌 সবুজবাগ থানার পুলিশ দল ঘটনাস্থলে গিয়ে রেহেনা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে
- 📌 পারিবারিক কলহ ও স্বামীর পরকীয়ার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটান বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে
📰 বিস্তারিত
ঘুমন্ত স্বামীকে হত্যার পর নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে নিজের অবস্থান জানান দেন রেহেনা আক্তার। রাজধানীর সবুজবাগ থানার নন্দীপাড়া বড় মসজিদ এলাকায় বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। কলটি গ্রহণ করেন কনস্টেবল আরিফ হোসেন। পরবর্তীতে ৯৯৯-এর পুলিশ কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আওলাদ হোসেনের তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে সমন্বয় করা হয়।
৯৯৯-এর গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার জানান, রেহেনা আক্তার ফোন করে স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য দেন। তিনি জানান, আগের রাতে স্বামী মাহফুজুর রহমানকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেছেন তিনি। ঘটনার পরপরই সবুজবাগ থানাকে ব্যবস্থা নিতে জানানো হয়।
খবর পেয়ে থানার একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে রেহেনা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পারিবারিক কলহ এবং স্বামী পরকীয়ায় লিপ্ত থাকায় ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটান।
"ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে হত্যা করার পর নিজেই ৯৯৯-এ ফোন করে নিজের অবস্থান জানাই। পরে পুলিশ এসে আমাকে গ্রেপ্তার করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নন্দীপাড়া বড় মসজিদ, সবুজবাগ, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রেহেনা আক্তার, মাহফুজুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৯৯, ৪০ বছর, দুপুর ১২টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!