📅 ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টাঙ্গাইলে সৎমা ওড়না দিয়ে শিশুকে হত্যা করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেলেন

টাঙ্গাইলে সৎমা ওড়না দিয়ে শিশুকে হত্যা করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেলেন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টাঙ্গাইলের একটি সৎমা ওড়না দিয়ে নাক-মুখ বেঁধে তিন বছরের শিশুকে হত্যা করে। আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটে ২০২০ সালের ১৮ জানুয়ারি

টাঙ্গাইলের একটি সৎমা ওড়না দিয়ে নাক-মুখ বেঁধে তিন বছরের শিশুকে হত্যা করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন। আদালত তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছে এবং এই জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের সিদ্ধান্ত নেয়। বুধবার টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ মো. হাফিজুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত ব্যক্তি হলেন রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের মো. আলাউদ্দিনের মেয়ে সাবরিন নাহার (সিনথি)।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 টাঙ্গাইলের সৎমা সাবরিন নাহার ওড়না দিয়ে নাক-মুখ বেঁধে তিন বছরের শিশু সাইফকে হত্যা করেন
  • 📌 আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছে
  • 📌 জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের সিদ্ধান্ত নেয় আদালত
  • 📌 ঘটনাটি ঘটে ২০২০ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায়
  • 📌 সাবরিন নাহারকে ২০২৬ সালের ১৪ জুন অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার পর দোষী সাব্যস্ত করা হয়
  • 📌 মামলায় মোট ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়

📰 বিস্তারিত

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, ঘটনাটি ঘটে ২০২০ সালের ১৮ জানুয়ারি সন্ধ্যায়। সালাউদ্দিন ইমনের তিন বছরের সন্তান সাইফ টেলিভিশন দেখছিলেন। উচ্চ আওয়াজে টেলিভিশন দেখার কারণে সৎমা সাবরিন নাহার ক্ষিপ্ত হয়ে পড়েন। তিনি শিশু সাইফকে পাশের রুমে ডেকে নিয়ে ওড়না দিয়ে হাত ও নাক-মুখ বেঁধে ফেলেন। এরপর সাবরিন শিশুটির হাত-পা বেঁধে বাথরুমে নিয়ে পানিভর্তি বালতিতে মাথা ডুবিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেন।

ঘটনার পর সাবরিন নাহার ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ডাকাতির নাটক সাজান। তিনি ঘরের আসবাবপত্র এলোমেলো করে মুঠোফোনে স্বামীর কাছে ডাকাতির মিথ্যা তথ্য জানান। ঘটনার পর নিহত সাইফের দাদা সরোয়ার হোসেন বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। পুলিশের তদন্তে সাবরিন নাহারকে আটক করা হয় এবং তিনি সাইফকে হত্যার কথা স্বীকার করেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) প্রতীমা রানী তরফদার তদন্ত শেষে ২০২৬ সালের ১৪ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালতে মোট ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত সাবরিন নাহারকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

"২০২০ সালের ১৮ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সাইফ টেলিভিশন দেখছিলেন। উচ্চ আওয়াজে টেলিভিশন দেখার কারণে সাবরিন নাহার ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তিনি ওড়না দিয়ে শিশুটির নাক-মুখ বেঁধে ফেলেন এবং পরে তাকে হত্যা করেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টাঙ্গাইল সদর, বিশ্বাস বেতকা এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাবরিন নাহার (সিনথি), জজ মো. হাফিজুর রহমান, এসআই প্রতীমা রানী তরফদার, মো. শফিকুল ইসলাম রিপন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ হাজার টাকা (জরিমানা), ১৮ জানুয়ারি (ঘটনার তারিখ), ১৪ জুন (অভিযোগপত্র জমা), ১০ জন (সাক্ষী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖