📌 বিমানবাহিনী কর্মী তাহসিফ ২৭ অক্টোবর রাত ১টা ৩৫ মিনিটে বাসায় ফেরেননি। পরিবার দাবি, তিনি পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছেন। নৌপুলিশ ২৮ অক্টোবর তার মরদেহ উদ্ধার করে। তাহসিফ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চাকরি ছেড়ে ক্রিকেট বোর্ড, নেত্র নিউজ ও ভার্গো টোব্যাকোতে কাজ করতেন
বিমানবাহিনী কর্মী তাহসিফের অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ঘটনায় ঢাকার উত্তরায় তার পরিবার শোকের মাতমে ডুবে আছে। ২৭ অক্টোবর রাত ১টা ৩৫ মিনিটে তিনি পরিবারকে ফোনে বলেছিলেন, ‘রওনা দিচ্ছি, আসছি’ — কিন্তু আর ফিরেননি। তারপর থেকে কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। নৌপুলিশ ২৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের জানিয়ে দিয়েছিল। পরিবার দাবি, তাহসিফের মৃত্যু ছিল পরিকল্পিত হত্যা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৭ অক্টোবর রাত ১টা ৩৫ মিনিটে তাহসিফ পরিবারকে ফোন করে ‘রওনা দিচ্ছি’ বললেও বাসায় ফিরেননি
- 📌 নৌপুলিশ ২৮ অক্টোবর তার মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের জানিয়ে দিয়েছিল
- 📌 পরিবার দাবি, তাহসিফের মৃত্যু ছিল পরিকল্পিত হত্যা — ‘আত্মহত্যা করার মতো ছেলে ছিল না’
- 📌 ৭৭তম লং কোর্সের বিমানবাহিনী কর্মী তাহসিফ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চাকরি ছেড়েছিলেন
- 📌 চাকরি ছেড়ে তিনি ক্রিকেট বোর্ড, নেত্র নিউজ ও ভার্গো টোব্যাকোতে কাজ করতেন
- 📌 পরিবার জানায়, তাহসিফের মৃত্যুর আগে কোনো হুমকি বা অস্বস্তির কথা বলেননি
📰 বিস্তারিত
তাহসিফের বাবা কে এম এনায়েতুল করিম হেলাল বলেছেন, ‘তাহসিফ আত্মহত্যা করার মতো ছেলে ছিল না। তিনি খুব ভালো ছেলে ছিলেন। অনেক কষ্ট করে বিমানবাহিনীতে কমিশন পেয়েছিলেন। এমনকি আমি তাকে বিয়ে করার জন্য মেয়ে দেখাতে বলতাম। সে সবার জন্য শপিং করতো। তাই আমার মনে হয়, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে এবং অন্য এলাকায় ফেলে দেওয়া হয়েছে।’
২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় তাহসিফ পরিচিত এক ছোটভাইয়ের ডাকে বাসা থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। মাকে বলেছিলেন, ‘আম্মু, একটু বাসার নিচ থেকে আসছি’ — কিন্তু আর ফিরেননি। পরিবার জানায়, তাহসিফের মৃত্যুর আগে কোনো হুমকি বা অস্বস্তির কথা বলেননি। বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যরা বলেছেন, তাদের সঙ্গে তাহসিফের সম্পর্ক ছিল খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ।
তাহসিফ ৭৭তম লং কোর্সের মাধ্যমে বিমানবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তিনি চাকরি ছেড়েছিলেন। পরিবার জানায়, চাকরি ছেড়ে তিনি কিছুদিন ক্রিকেট বোর্ডে কাজ করেছিলেন। এরপর নেত্র নিউজে চাকরি পেয়েছিলেন। সবশেষ ভার্গো টোব্যাকোতে কর্মরত ছিলেন। পরিবার দাবি, দাফন শেষে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
"আমি তাকে বিয়ে করার জন্য মেয়ে দেখাতে বলতাম। সে সবার জন্য শপিং করতো। এমনকি আমার সঙ্গে খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল। তাই আমার মনে হয়, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (উত্তরায়)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কে এম এনায়েতুল করিম হেলাল (তাহসিফের বাবা), তাহসিফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ অক্টোবর (অদৃশ্য), ১টা ৩৫ মিনিট (শেষ ফোন কল), ২৮ অক্টোবর (মরদেহ উদ্ধার), ৭৭তম (বিমানবাহিনী কোর্স), ৫ আগস্ট ২০২৪ (চাকরি ছেড়ে যাওয়া)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!