📌 তিন মাসের প্রজনন মৌসুম নিষেধাজ্ঞা শেষে সুন্দরবনের দ্বার উন্মুক্ত করা হয়েছে। জেলেরা নানা কারণে বনে প্রবেশে অনীহা দেখালেও পর্যটকেরা দ্রুতই পর্যটন স্পটগুলোতে উপস্থিত হতে শুরু করেছেন। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এবার ১২ হাজার নৌযানকে বিএলসি দেওয়া হয়েছে
তিন মাসের প্রজনন মৌসুমের নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়েছে সুন্দরবনের দ্বার। তবে প্রথম দিনেই জেলেদের মধ্যে বনে প্রবেশে তেমন কোনো আগ্রহ দেখা যায়নি। বৃষ্টি, নদীতে মরা কাটালের উপস্থিতি এবং দস্যুদের ভয়ের কারণে তাঁরা দ্বিধাগ্রস্ত রয়েছেন। অন্যদিকে, পর্যটকেরা দ্রুতই সুন্দরবনের পর্যটন স্পটগুলোতে উপস্থিত হয়ে মুখরিত করে তুলছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সুন্দরবনের প্রজনন মৌসুমের তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ মঙ্গলবার দ্বার উন্মুক্ত করা হয়েছে।
- 📌 জেলেরা বনে প্রবেশে অনীহা দেখাচ্ছেন বৃষ্টি, মরা কাটালের উপস্থিতি এবং দস্যুদের ভয়ের কারণে।
- 📌 বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনে মাত্র একজন জেলে অনুমতিপত্র নিয়েছেন, যেখানে রয়েছে ৯৫৪টি নৌযানের বিএলসি।
- 📌 কৈখালী ও কদমতলা ফরেস্ট স্টেশন মিলিয়ে ৩৭ জন জেলে অনুমতি নিয়েছেন, যেখানে বিএলসির সংখ্যা ১ হাজার ২৬টি।
- 📌 পর্যটকেরা দ্রুতই সুন্দরবনের পর্যটন স্পটগুলোতে উপস্থিত হয়ে মুখরিত করে তুলছেন।
- 📌 সুন্দরবন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের অধীনে ৭৫টি নৌযান রয়েছে, যার মধ্যে খুলনা থেকে ৭টি লঞ্চে ২২০ জন পর্যটক সুন্দরবনের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন।
- 📌 সুন্দরবনের প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা অভয়ারণ্য হিসেবে সংরক্ষিত, যেখানে সাধারণভাবে মাছ ধরা বা প্রবেশের সুযোগ নেই।
📰 বিস্তারিত
প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে তিন মাস ধরে সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। সেই নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়েছে সুন্দরবনের দ্বার। তবে প্রথম দিনেই জেলেদের মধ্যে বনে প্রবেশে তেমন কোনো আগ্রহ দেখা যায়নি। বৃষ্টির কারণে নদীতে মরা কাটালের উপস্থিতি এবং দস্যুদের ভয়ের কারণে তাঁরা দ্বিধাগ্রস্ত রয়েছেন।
বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা ইরফান উদ্দীন জানান, তাঁদের স্টেশনে ৯৫৪টি নৌযানের বিএলসি রয়েছে। আজ বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মাত্র একজন জেলে অনুমতিপত্র নিয়েছেন। সকাল থেকে বৃষ্টি হওয়ায় জেলেরা বনে প্রবেশে অনীহা দেখাচ্ছেন। অন্যদিকে, পর্যটকেরা দ্রুতই সুন্দরবনের পর্যটন স্পটগুলোতে উপস্থিত হয়ে মুখরিত করে তুলছেন।
কৈখালী ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা শ্যামা প্রসাদ রায় জানান, কৈখালী ও কদমতলা ফরেস্ট স্টেশন মিলিয়ে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মাত্র ৩৭ জন জেলে অনুমতি নিয়েছেন। যেখানে বিএলসির সংখ্যা রয়েছে ১ হাজার ২৬টি। জেলেরা জানান, নিষেধাজ্ঞার সময়ও অনেকে বন বিভাগের নজর এড়িয়ে সুন্দরবনে ঢুকে বিষ দিয়ে মাছ ধরেছেন। এতে মাছ ও কাঁকড়ার সংখ্যা কমে গেছে বলে তাঁদের আশঙ্কা।
সুন্দরবন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মঈনুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার জানান, সংগঠনটির অধীনে বর্তমানে ৭৫টি নৌযান রয়েছে। আজ প্রথম দিন খুলনা থেকে সাতটি লঞ্চে ২২০ জন পর্যটক সুন্দরবনের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে রয়েছে কলাগাছিয়া ও দুবেকী। তবে হারবাড়িয়া, শেখেরটেক ও দুবেকীতে যেতে বন বিভাগের বিশেষ অনুমতি প্রয়োজন।
"এবার বন্ধের সময় অনেকে বিষ মারি সব শেষ করিছে। তাই এবার আয় কেমন হবে, বলা যাতিছ না।" — জেলে আব্দুর বারী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুন্দরবন, খুলনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শ্যামা প্রসাদ রায়, ইরফান উদ্দীন, মো. মঈনুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৫৪, ৩৭, ১ হাজার ২৬, ৭৫, ২২০, ৭০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!