📌 খুলনার সুন্দরবনে চারটি জলদস্যু দলের প্রধানসহ মোট ৫২ সদস্য র্যাব-৬-এর কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। জেলে ও বনজীবীদের ওপর দস্যুদের দীর্ঘদিনের অত্যাচারের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের পুনর্বাসন উদ্যোগের ফলে এই ঘটনা ঘটে
খুলনা, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: সুন্দরবনের চারটি জলদস্যু দলের প্রধানসহ মোট ৫২ সদস্য র্যাব-৬-এর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেছেন। মঙ্গলবার র্যাব-৬ সদর দফতর থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত ৩১ আগস্ট তারা র্যাব-৬-এর কাছে আত্মসমর্পণ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সুন্দরবনের চারটি জলদস্যু দলের প্রধানসহ মোট ৫২ সদস্য র্যাব-৬-এর কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন
- 📌 আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে রয়েছে বড়ো জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১৬ জন, আনারুল বাহিনীর ১৩ জন, আফজাল ওরফে দুলাভাই বাহিনীর ১৫ জন এবং আফতাব বাহিনীর ৮ জন
- 📌 সুন্দরবনের জেলে ও বনজীবীদের ওপর দস্যুদের দীর্ঘদিনের অত্যাচারের কারণে সরকার পুনর্বাসন উদ্যোগ গ্রহণ করে
- 📌 র্যাব-৬-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিস্তার আহমেদ জানান, সুন্দরবনে জলদস্যুতা নিয়ন্ত্রণে অভিযান অব্যাহত থাকবে
📰 বিস্তারিত
খুলনার সুন্দরবনে অবস্থিত চারটি জলদস্যু দলের প্রধানসহ মোট ৫২ সদস্য র্যাব-৬-এর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেছেন। মঙ্গলবার র্যাব-৬ সদর দফতর থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত ৩১ আগস্ট তারা র্যাব-৬-এর কাছে আত্মসমর্পণ করেন।
আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে রয়েছে বড়ো জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১৬ জন, আনারুল বাহিনীর ১৩ জন, আফজাল ওরফে দুলাভাই বাহিনীর ১৫ জন এবং আফতাব বাহিনীর ৮ জন। সব মিলিয়ে মোট ৫২ জন সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন।
র্যাব-৬-এর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের ওপর জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালসহ হাজার হাজার মানুষ জীবিকা নির্বাহের জন্য নির্ভরশীল। দীর্ঘদিন ধরে জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বনজীবী ও স্থানীয়দের জন্য বড়ো ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান এবং সরকারের পুনর্বাসন উদ্যোগের ফলে এর আগে সুন্দরবনের বিভিন্ন জলদস্যু ও বনদস্যু বাহিনীর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সদস্য আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন দস্যুচক্রের তৎপরতা এবং পূর্বে আত্মসমর্পণকারী কয়েকজনের পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ার তথ্য পাওয়া যায়। পাশাপাশি জেলে ও বনজীবীদের অপহরণ এবং মুক্তিপণ দাবির ঘটনাও সামনে আসে।
এ পরিস্থিতিতে সুন্দরবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান জোরদার করে। র্যাব-৬ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক তৎপরতার পাশাপাশি বনের প্রতিকূল পরিবেশ ও অপরাধমূলক জীবনের অনিশ্চয়তার কারণে বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর সদস্যরা অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
‘সুন্দরবনে জলদস্যুতা নিয়ন্ত্রণ ও বনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ও আত্মসমর্পণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’ — লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিস্তার আহমেদ, অধিনায়ক, র্যাব-৬
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা, সুন্দরবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিস্তার আহমেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২ জন সদস্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!