📌 হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যের মধ্যস্থতায় সালিস বৈঠকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৯০ হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারকে মামলা না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যের মধ্যস্থতায় সালিস বৈঠকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৯০ হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারকে মামলা না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। ঘটনার পর থানায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হানিফ মিয়া নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে
- 📌 ঘটনাটি ঘটে গত ২০ আগস্ট মাধবপুরে
- 📌 ইউপি সদস্য আবেদুর রহমানের মধ্যস্থতায় সালিস বৈঠকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৯০ হাজার টাকা ধার্য
- 📌 ভুক্তভোগীর পরিবারকে তাৎক্ষণিক ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে, বাকি ৭০ হাজার টাকা ১০ সেপ্টেম্বর দেওয়ার তারিখ নির্ধারণ
- 📌 ঘটনার পর কিশোরীকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়
📰 বিস্তারিত
হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যের মধ্যস্থতায় সালিস বৈঠকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৯০ হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে। ঘটনার পর থানায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, হানিফ মিয়া নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। হানিফ মিয়ার স্ত্রী প্রবাসে থাকেন। তিনি মেয়েকে নিয়ে বেশির ভাগ সময় শ্বশুরবাড়িতে থাকেন।
গত ২০ আগস্ট দুপুরে বাড়ির লোকজনের অনুপস্থিতির সুযোগে হানিফ কৌশলে ওই কিশোরীকে তাঁর ঘরে ডেকে আনেন এবং ধর্ষণ করেন। মেয়েটি বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি তার মাকে জানায়। তাঁরা আত্মীয়স্বজন নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে হানিফ সেখান থেকে পালিয়ে যান। ওই দিন বিকেলে মেয়েটিকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর গত ২৩ আগস্ট সে বাড়িতে ফিরে আসে।
গত শুক্রবার স্থানীয় ইউপি সদস্য আবেদুর রহমানের মধ্যস্থতায় একটি সালিস বৈঠক হয়। সালিসে ভুক্তভোগী কিশোরীকে ৯০ হাজার টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। তাৎক্ষণিক মেয়েটির মাকে ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। বাকি ৭০ হাজার টাকা ১০ সেপ্টেম্বর দেওয়ার তারিখ ধার্য করা হয়।
"খাল্লা বাড়িত আমার মাইয়ারে পুশলাইয়া নিইয়া ধর্ষণ করছে হানিফে। আমরা মামলা করবাম চাইসলাম। গ্রামের মুরব্বিরা দিল না। তারা খয় ক্ষতিপূরণ নিয়ে দিব। ইউপি সদস্য আবেদুর রহমানসহ কয়েকজন সালিস কইরা ওই ৯০ হাজার টেকা ধার্য করছে। ওই টেকার মাঝে আমি ২০ হাজার টেকা পাইছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাধবপুর, হবিগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হানিফ মিয়া, আবেদুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ হাজার টাকা, ২০ আগস্ট, ২৫০ শয্যা হাসপাতাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!