📅 ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সীতাকুণ্ডে রেলওয়ে কর্মকর্তা ফিরে যান বাধা পেয়ে, বাসিন্দারা দাবি ক্ষতিপূরণ ও সময় বাড়ানো

সীতাকুণ্ডে রেলওয়ে কর্মকর্তা ফিরে যান বাধা পেয়ে, বাসিন্দারা দাবি ক্ষতিপূরণ ও সময় বাড়ানো

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের উচ্ছেদ অভিযান বাধা পেয়ে ব্যর্থ হয়। স্থানীয় ৩০০ পরিবারের দাবি ক্ষতিপূরণ ও তিন মাস সময় দিতে গিয়ে কর্মকর্তারা এক মাস সময় দিয়ে ফিরে যায়। বাসিন্দারা ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে বাড়ি হারিয়ে রেলওয়ে কলোনিতে বসবাস করছেন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের জোড়আমতল এলাকায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের উচ্ছেদ অভিযান বাধা পেয়ে ব্যর্থ হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এক মাস সময় দিয়ে অভিযান স্থগিত করে ফিরে যায়। বুধবার সকালে ঢাকা–চট্টগ্রাম রেললাইনের পুরোনো সেতু ইয়ার্ড এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু হলেও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিরোধে কর্মকর্তারা ফিরে যান।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সীতাকুণ্ডে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের উচ্ছেদ অভিযান বাধা পেয়ে ব্যর্থ হয়, কর্মকর্তারা এক মাস সময় দিয়ে ফিরে যায়
  • 📌 স্থানীয় ৩০০ ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে ২১ জনের নাম উল্লেখ করে ১৫ দিনের নোটিশ দেওয়া হয়েছিল
  • 📌 বাসিন্দারা দাবি করেন, ক্ষতিপূরণ ছাড়া জায়গা ছাড়বেন না এবং অন্তত ছয় মাস সময় দিতে হবে
  • 📌 ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে বাড়ি হারিয়ে ৩৫ বছর ধরে রেলওয়ে কলোনিতে বসবাস করছেন বাসিন্দারা
  • 📌 রেলওয়ে কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলম চৌধুরী স্থানীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে এক মাস সময় দেন

📰 বিস্তারিত

সকাল সাড়ে ১০টায় পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জোড়আমতল এলাকায় উপস্থিত হন। স্থানীয় বাসিন্দা রোকসানা বেগম বলেন, তাঁরা ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর রেলওয়ে কলোনিতে বসবাস শুরু করেন। দীর্ঘ ৩৫ বছর সেখানে থাকলেও সরকার কোনো জায়গা বন্দোবস্ত করেনি। বাসিন্দারা বলেন, ক্ষতিপূরণ না দিলে জায়গা ছাড়বেন না।

বেলা ১১টায় রেলওয়ে বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলম চৌধুরী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে ঘিরে ধরলে তিনি স্থানীয় ১০ জন প্রতিনিধিকে ডেকে বৈঠক করেন। বাসিন্দারা ক্ষতিপূরণসহ তিন মাস সময় চেয়েছিলেন, কিন্তু কর্মকর্তা এক মাস সময় দিয়ে অভিযান স্থগিত করেন।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি ইফতেখার আহম্মদ প্রথম আলোকে বলেন, রেলওয়ে কলোনিতে প্রায় ৩০০ ভূমিহীন পরিবার বসবাস করে। তাঁদের মধ্যে কেউ রেলের সাবেক কর্মচারী এবং কেউ ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো মানুষ। বাসিন্দারা উচ্ছেদের আগে ক্ষতিপূরণসহ তিন মাস সময় চেয়েছিলেন, কিন্তু কর্মকর্তারা এক মাস সময় দিয়ে ফিরে যান।

সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর বলেন, পুলিশ সদস্যরা সহযোগিতা করলেও অভিযান স্থগিত করা হয়। বাসিন্দাদের দাবি ছিল, ক্ষতিপূরণ ছাড়া জায়গা ছাড়বেন না।

"তাঁদের নিজস্ব জায়গা-সম্পদ নেই। উচ্ছেদ করা হলে তাঁরা কোথায় যাবেন, তা জানেন না। ক্ষতিপূরণ না দিলে তাঁরা জায়গা ছাড়বেন না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রামের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের জোড়আমতল এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. খোরশেদ আলম চৌধুরী, রোকসানা বেগম, রহিমা বেগম, ইফতেখার আহম্মদ, মো. আলমগীর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০ (ভূমিহীন পরিবার), ৩৫ (বছর), ১০ (জন প্রতিনিধি), ২১ (জনের নাম), ১৫ (দিন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖