📌 ঢাকার সাভার আশুলিয়ায় একটি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে নিহত স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ ও পাঁচমাসের মৃত ভ্রূণ উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সম্ভাবনা নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। নাজমা আক্তার (৩৩) ও আলমগীর হোসেন (৪২) গত ৯ আগস্ট কক্ষ ভাড়া নিয়েছিলেন, কিন্তু তিন দিন ধরে কক্ষ তালাবদ্ধ ছিল
ঢাকার সাভার আশুলিয়ায় একটি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে মৃত্যুর পাশে পাঁচমাসের মৃত ভ্রূণ উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সম্ভাবনা নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাটি ঘটে গত শুক্রবার রাতে। নিহত দম্পতির নাম নাজমা আক্তার (৩৩) ও তাঁর স্বামী আলমগীর হোসেন (৪২)।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাভার আশুলিয়ার একটি তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে নিহত স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ ও পাঁচমাসের মৃত ভ্রূণ উদ্ধার করা হয়েছে।
- 📌 নিহত দম্পতির নাম: নাজমা আক্তার (৩৩) (দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানার বড় মাগুড়া পাকপাড়া) ও আলমগীর হোসেন (৪২) (পাকপাড়ার নিশা পলাশবাড়ী এলাকা)।
- 📌 গত ৯ আগস্ট কক্ষটি ভাড়া নেন দম্পতি, কিন্তু গত তিন দিন ধরে কক্ষ তালাবদ্ধ ছিল।
- 📌 পচা গন্ধের কারণে ভবনের মালিক ও ভাড়াটেরা গতকাল রাতে কক্ষের তালা ভেঙে দেখেন মরদেহ ও মৃত ভ্রূণ।
- 📌 নাজমা অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন, সন্তানটি পেট থেকে বেরিয়ে পড়ে। পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সম্ভাবনা দেখছে।
📰 বিস্তারিত
গত শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে মধ্য জামগড়া এলাকার চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত নাজমা আক্তার (৩৩) ও আলমগীর হোসেন (৪২) উভয়েই দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানার বড় মাগুড়া পাকপাড়ার বাসিন্দা। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, দম্পতি গত ৯ আগস্ট কক্ষটি ভাড়া নিয়েছিলেন। গত তিন দিন ধরে কক্ষ তালাবদ্ধ থাকায় আশপাশের ভাড়াটেরা পচা গন্ধ অনুভব করেন। প্রথমে তারা মনে করেছিলেন বিড়াল মারা গিয়ে পচে গন্ধ ছড়াচ্ছে। কিন্তু গন্ধ তীব্র হওয়ায় ভবনের মালিক ও ভাড়াটেরা গতকাল রাতে কক্ষের তালা ভেঙে দেখেন খাটের ওপর মরদেহ পড়ে থাকছে। একই সঙ্গে একটি মৃত ভ্রূণও পাওয়া যায়।
নাজমার বোন শাপলা বেগম জানান, তাঁর বোন ও দুলাভাইকে গলাটিপে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা দুই বোনই জামগড়ার একই কারখানায় কাজ করি। আজ শনিবারও সে অফিসে যায়নি। তখন ভাবছিলাম, আমার বোন তো পোয়াতি, হয়তো কোনো সমস্যা হয়েছে, তাই কাজে যায়নি।’ শাপলা জানান, নাজমা অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন এবং স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। আর আলমগীর হকার হিসেবে কাজ করতেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে নাজমার সঙ্গে তাঁর শেষ দেখা হয়েছিল।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের আগে বা পরে নাজমার গর্ভপাত হয়ে পাঁচমাসের ভ্রণটি বের হয়ে যায়। ঘটনাস্থলের বিভিন্ন আলামত ও পরিস্থিতি দেখে এটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
“আমরা দুই বোনই জামগড়ার একই কারখানায় কাজ করি। আজ শনিবারও সে অফিসে যায়নি। তখন ভাবছিলাম, আমার বোন তো পোয়াতি, হয়তো কোনো সমস্যা হয়েছে, তাই কাজে যায়নি।” — শাপলা বেগম, নাজমার বোন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার সাভার আশুলিয়া, মধ্য জামগড়া এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাজমা আক্তার (৩৩), আলমগীর হোসেন (৪২), শাপলা বেগম, ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩ (নাজমার বয়স), ৪২ (আলমগীরের বয়স), ৯ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!