📌 ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যুবদল নেতা মো. এনায়েত হোসেন নিজস্ব অর্থে ৬৫০ ফুট ইটের সোলিং রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। এছাড়াও তিনি এলাকার বিভিন্ন স্থানে ৯০০ ফুট কাঁচা রাস্তা, ১৫০ ফুট ইটের সোলিংসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে উদ্যোগী হয়ে উঠেছেন। স্থানীয়রা তাঁর উদ্যোগের প্রশংসা করছেন
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় নিজস্ব অর্থে রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগে এগিয়ে আসছেন যুবদল নেতা মো. এনায়েত হোসেন। তিনি ইউসুফদিয়া ভদ্রপাড়ায় ৬৫০ ফুট ইটের সোলিং রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। এছাড়াও তিনি এলাকার বিভিন্ন গ্রামে ৯০০ ফুট কাঁচা রাস্তা, ১৫০ ফুট ইটের সোলিংসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে উদ্যোগী হয়ে উঠেছেন। স্থানীয়রা তাঁর উদ্যোগের প্রশংসা করছেন এবং আশা করছেন কাজ শেষ হলে এলাকাবাসীর চলাচলের সমস্যা সমাধান হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যুবদল নেতা মো. এনায়েত হোসেন নিজস্ব অর্থে ইউসুফদিয়া ভদ্রপাড়ায় ৬৫০ ফুট ইটের সোলিং রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন।
- 📌 তিনি পূর্বে ইউসুফদিয়া ইজারাপাড়া গ্রামে ৯০০ ফুট কাঁচা রাস্তা, ১৫০ ফুট ইটের সোলিংসহ বিভিন্ন স্থানে ১০০ ফুট ইটের রাস্তা সংস্কার ও ৮০০ ফুট কাঁচা রাস্তা নির্মাণ করেছেন।
- 📌 স্থানীয়রা বলেছেন, বর্ষা মৌসুমে কাদা-পানিতে রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এনায়েত হোসেনের উদ্যোগের ফলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে বলে আশা করছেন তারা।
- 📌 ইউসুফদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, আশরাফুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও ইউসুফদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থী এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে।
- 📌 মো. এনায়েত হোসেন বলেছেন, ‘রাজনীতি করি মানুষের জন্য। এলাকার মানুষের চলাচলের দুর্ভোগ দেখলে নিজের কাছে খারাপ লাগে। সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি।’
📰 বিস্তারিত
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার ইউসুফদিয়া ভদ্রপাড়ায় শনিবার (৭ নভেম্বর) বেলা ২টার দিকে ৬৫০ ফুট ইটের সোলিং রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় শ্রমিকেরা রাস্তার মাটি প্রস্তুত ও ইট বিছানোর কাজে ব্যস্ত। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তা দিয়ে চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে কাদা-পানিতে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীদের নিয়ে বিপাকে পড়তে হতো।
মো. এনায়েত হোসেন যুবদলের সদস্যসচিব হিসেবে নিজস্ব অর্থে এই প্রকল্পে উদ্যোগী হয়ে উঠেছেন। তিনি পূর্বে ইউসুফদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে যেমন ইউসুফদিয়া ইজারাপাড়া গ্রামে ৯০০ ফুট কাঁচা রাস্তা নির্মাণ ও ১৫০ ফুট ইটের সোলিংসহ, শিহিপুর গ্রামে ১০০ ফুট ইটের রাস্তা সংস্কার ও সোলিং, উত্তর পুরুরা গ্রামে ধসে যাওয়া রাস্তা ঢালাই দিয়ে সংস্কার এবং একই গ্রামে ৮০০ ফুট কাঁচা রাস্তা নির্মাণ করেছেন। এছাড়াও তিনি বারখাদিয়া গ্রামে ৭০০ ফুট কাঁচা রাস্তা, তুগোলদিয়া গ্রামে ১৫০ ফুট ইটের সোলিং রাস্তা ও তুগোলদিয়া-ইউসুফদিয়া সংযোগস্থলে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছেন।
এনায়েত হোসেনের উদ্যোগের প্রশংসা করছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় বাসিন্দা কামরুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি দিয়ে চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। বর্ষায় কাদা-পানিতে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীদের নিয়ে বিপাকে পড়তে হতো। এনায়েত হোসেন নিজ উদ্যোগে রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করায় আমরা খুশি। কাজ শেষ হলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে।’
"রাজনীতি করি মানুষের জন্য। এলাকার মানুষের চলাচলের দুর্ভোগ দেখলে নিজের কাছে খারাপ লাগে। সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। মানুষের উপকারে আসতে পারাটাই আমার কাছে বড় পাওয়া। ভবিষ্যতেও সামর্থ্য অনুযায়ী এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফরিদপুরের সালথা উপজেলা, ইউসুফদিয়া ভদ্রপাড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. এনায়েত হোসেন (যুবদল সদস্যসচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৫০ ফুট (ইটের সোলিং রাস্তা), ৯০০ ফুট (কাঁচা রাস্তা), ১৫০ ফুট (ইটের সোলিং)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!