📌 পরিবেশবান্ধব কর্মসূচির অংশ হিসেবে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে আগামী তিন দিনে ২০ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হবে। প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম দ্বীপটিকে প্লাস্টিক ও দূষণমুক্ত রাখতে স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানান
কক্সবাজারের সেন্ট মার্টিন দ্বীপে আগামী তিন দিনে ২০ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হবে। দ্বীপটির পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। একই সঙ্গে দ্বীপটিকে প্লাস্টিক ও দূষণমুক্ত রাখতে স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আগামী তিন দিনে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ২০ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হবে।
- 📌 প্রতিবেশ সংকটাপন্ন দ্বীপটির জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার আন্তরিক।
- 📌 কর্মসূচির অংশ হিসেবে দ্বীপটির সমুদ্রসৈকত থেকে প্লাস্টিক ও ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়েছে।
- 📌 কর্মসূচিতে আম, পেয়ারা, বহেরা, হরীতকী, নিম, বাতাবিলেবু, কুল, কৃষ্ণচূড়া, সোনালু, জারুল, সাগরলতা, হরগোজা, কেয়া ও নারকেলের চারা রোপণ করা হবে।
📰 বিস্তারিত
আজ শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের মধ্যভাগে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের কার্যালয় মাঠে নারকেলের চারা রোপণের মাধ্যমে তিন দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির আওতায় ৮ থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত দ্বীপে ২০ হাজার চারা রোপণ করা হবে।
শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এ দ্বীপের জীববৈচিত্র্য, প্রবাল, শৈবাল, শামুক-ঝিনুকসহ বিভিন্ন প্রাণ ও উদ্ভিদ রক্ষায় সরকার আন্তরিক। সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে রোপণ করা চারাগুলো রক্ষা করতে হবে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন এনরুট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. তারিকুল হক, হেড অব প্রোগ্রাম জুবায়ের ইবনে হাসনাত, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের কক্সবাজার এরিয়া ম্যানেজার রোনাল্ড প্রবীর চিসিক, ম্যানেজার লাইভলিহুড মোহাম্মদ রুহুল আমিন, উখিয়া উপজেলা কো-অর্ডিনেটর ছোটন বড়ুয়া, কোস্টগার্ডের কর্মকর্তাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা।
"উত্তাল বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে আমি প্রথমবারের মতো সেন্ট মার্টিন এলাম। প্লাস্টিকমুক্ত, দূষণমুক্ত সেন্ট মার্টিন চাই। আপনারা এই দ্বীপের বাসিন্দা। ঘূর্ণিঝড়, দুর্যোগেও আপনারা দ্বীপ ছেড়ে কোথাও যান না। এই দ্বীপকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব আপনাদের বেশি। প্লাস্টিক ও দূষণমুক্ত রাখা না গেলে এই দ্বীপকে বাঁচানো যাবে না।"
এর আগে বেলা পৌনে দুইটার দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী। সেখান থেকে সড়কপথে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাটে যান তিনি। বিকেল চারটার দিকে কোস্টগার্ডের তত্ত্বাবধানে কাঠের ট্রলারে করে নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে বিকেল পাঁচটার দিকে সেন্ট মার্টিনে পৌঁছান।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সেন্ট মার্টিন দ্বীপ, কক্সবাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ ফরিদুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ হাজার, ৫ বছর, ২৫ কোটি, ৩২ লাখ, ৭৫ লাখ, ১ লাখ ৭১ হাজার ৭০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!