📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিলেও অপহৃত কলেজছাত্র রিদয়ানকে ফিরে পাওয়া যায়নি, পরিবার উদ্বিগ্ন

৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিলেও অপহৃত কলেজছাত্র রিদয়ানকে ফিরে পাওয়া যায়নি, পরিবার উদ্বিগ্ন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মানিকগঞ্জের তাড়াইল গ্রামের কলেজছাত্র রিদয়ান আনসারীকে (২৫) অপহরণের সাত দিন পেরিয়ে গেলেও সন্ধান মেলেনি। মুক্তিপণ হিসেবে ৪০ হাজার টাকা দেওয়া হলেও অপহরণকারীরা ছেলেকে মুক্তি দেননি। পরিবার উদ্বিগ্ন, মা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরী ইউনিয়নের তাড়াইল গ্রামের কলেজছাত্র রিদয়ান আনসারী (২৫) অপহরণের সাত দিন পেরিয়ে গেলেও তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। মুক্তিপণ হিসেবে দেওয়া ৪০ হাজার টাকা সত্ত্বেও অপহরণকারীরা ছেলেকে মুক্তি দেননি। পরিবার উদ্বিগ্ন, মা শারমিন আক্তার অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৪ অক্টোবর রাত ৬টার দিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর থেকে ঢাকার মগবাজারের উদ্দেশে রওনা হওয়া রিদয়ানকে অপহরণ করা হয়
  • 📌 অপহরণকারীরা ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে, পরে স্বজনরা ৪০ হাজার টাকা পাঠান
  • 📌 ২৫ অক্টোবর ভোর ৫টা ৩৯ মিনিটে অপহরণকারীরা শাহরিয়ার আনসারীর ফোনে কল করে রিদয়ানকে জিম্মি থাকা প্রমাণ দেন
  • 📌 রিদয়ানের খালাতো ভাই ফয়সল মাহমুদ গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানায় জিডি করেন এবং র‌্যাব-৩-এর কাছে অভিযোগ দেন
  • 📌 পরিবারের সদস্যরা মুক্তিপণ দেওয়ার পরও রিদয়ানের কোনো খোঁজ না পাওয়ায় চরম উদ্বেগে আছেন

📰 বিস্তারিত

রিদয়ান আনসারী রাজধানীর নিউ ইস্কাটন এলাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। তিনি বিবিএ পড়তেন এবং একই সাথে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। পড়াশোনা ও কর্মজীবনের পাশাপাশি নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলা এই তরুণের নিখোঁজের ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে।

গত ২৪ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রিদয়ান গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকার বড় বোনের বাসা থেকে ঢাকার মগবাজারের উদ্দেশে রওনা হন। ওই দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাঁর বড় ভাই শাহরিয়ার আনসারীর সঙ্গে তাঁর শেষ কথা হয়। এরপর থেকে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরদিন ২৫ অক্টোবর ভোর ৫টা ৩৯ মিনিটে অপরিচিত একটি নম্বর থেকে শাহরিয়ারের ফোনে কল আসে। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে জানানো হয়, রিদয়ানকে জিম্মি করা হয়েছে।

অপহরণকারীরা প্রমাণ হিসেবে রিদয়ানের সঙ্গে স্বজনদের কথা বলিয়ে দেন। এরপর তাঁকে জীবিত ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। রিদয়ানের জীবন বাঁচাতে স্বজনেরা বাধ্য হয়ে অপহরণকারীদের দেওয়া বিভিন্ন বিকাশ ও নগদ নম্বরে মোট ৪০ হাজার টাকা পাঠান। কিন্তু টাকা পাওয়ার পরও রিদয়ানকে মুক্তি দেওয়া হয়নি।

"মুক্তিপণের টাকা দেওয়ার পরও ভাইকে ফেরত দেওয়া হয়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি, তাঁরকে দ্রুত জীবিত উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য"

— রিদয়ানের বড় ভাই শাহরিয়ার আনসারী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা, তাড়াইল গ্রাম; গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলা; ঢাকার মগবাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রিদয়ান আনসারী (২৫), শাহরিয়ার আনসারী, শারমিন আক্তার, ফয়সল মাহমুদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ হাজার টাকা (মুক্তিপণ), ৫০ হাজার টাকা (দাবি), ২৪ অক্টোবর (অপহরণের তারিখ), ২৫ অক্টোবর (জিডি দাখিল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖