📌 রাজবাড়ীর সদর উপজেলায় বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের মিথ্যা অভিযোগ তুলে এক গ্রাম পুলিশ সদস্যকে জুতার মালা পরিয়ে ও রশি দিয়ে বেঁধে গণনির্যাতন চালানো হয়েছে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা আলোচনার কেন্দ্রে আসে
রাজবাড়ী সদর উপজেলার একটি গ্রামে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের মিথ্যা অভিযোগ তুলে এক গ্রাম পুলিশ সদস্য ও এক নারীকে জুতার মালা পরিয়ে ও রশি দিয়ে বেঁধে গণনির্যাতন চালানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজবাড়ী সদর উপজেলায় বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ তুলে এক নারী ও গ্রাম পুলিশ সদস্যকে গণনির্যাতন করা হয়
- 📌 ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে
- 📌 নির্যাতনের শিকার গ্রাম পুলিশ সদস্য বর্তমানে ফরিদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
- 📌 ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযুক্ত ব্যক্তির খোঁজ চলছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান
- 📌 রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, অভিযোগ না পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়
📰 বিস্তারিত
রাজবাড়ী সদর উপজেলার একটি গ্রামে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ তুলে এক গ্রাম পুলিশ সদস্য ও এক নারীকে গণনির্যাতন চালানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি ওই গ্রামেরই দায়িত্বপ্রাপ্ত গ্রাম পুলিশ সদস্য। তিনি বর্তমানে ফরিদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ঘরে ওই নারী ও গ্রাম পুলিশ সদস্যের সঙ্গে কথা বলছেন ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তি। ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তির সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন ওই নারী। তিনি অনৈতিক কোনো সম্পর্কের অভিযোগ অস্বীকার করেন। অন্যদিকে গ্রাম পুলিশ সদস্য দাবি করেন, কলা বিক্রির টাকা নিতে গিয়ে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে।
আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, ওই নারী ও গ্রাম পুলিশ সদস্যের গলায় জুতার মালা পরিয়ে এবং কোমরে রশি বেঁধে তাঁদের ঘোরানো হচ্ছে। ঘটনাস্থলে অনেক নারী, পুরুষ ও শিশু উপস্থিত ছিলেন। গ্রাম পুলিশ সদস্য জানান, তিনি গ্রাম থেকে কলা সংগ্রহ করে রাজবাড়ীর একটি বাজারে পাইকারি বিক্রি করেন। গত রোববার সকালে পূর্বপরিচিত ওই নারী তাঁর কাছ থেকে কলা নেন। ওই নারীর কাছে এক হাজার টাকার নোটের ভাঙতি না থাকায় পরে টাকা দেওয়ার কথা বললে তিনি চলে যান।
ভুক্তভোগী ব্যক্তি বলেন, তিনি কলার টাকা নিতে ওই নারীকে ফোন করেন। ওই নারী তাঁকে বাড়ির কাছে যেতে বলেন। সেখানে যাওয়ার পর অটোরিকশাচালক ও স্থানীয় এক বাসিন্দা তাঁকে জোর করে ঘরের ভেতর নিয়ে যান। এরপর ওই নারীর সঙ্গে তাঁর অনৈতিক সম্পর্ক আছে বলে চিৎকার করে মুঠোফোনে ভিডিও করতে থাকেন। তাঁর কাছে দুই লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে মারধর করা হয়।
গ্রাম পুলিশ সদস্য আরও অভিযোগ করেন, আশপাশের লোকজনকে ডেকে এনে তাঁকে ও ওই নারীকে মারধর করা হয়। তাঁদের গলায় জুতার মালা পরানো হয় এবং কোমরে রশি বেঁধে ঘোরানো হয়। ওই নারীর চুলও কেটে দেওয়া হয়। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তিনি মুক্ত হন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজবাড়ী সদর উপজেলা, রাজবাড়ী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গ্রাম পুলিশ সদস্য, স্থানীয় নারী, ইউপি চেয়ারম্যান মজিবর রহমান, রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উত্তম কুমার ঘোষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই লাখ টাকা দাবি, এক হাজার টাকার নোট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!