📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে সাগর ভাঙনে ২১০ পরিবার নিঃস্ব: ‘সম্পদ হারিয়ে পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে’

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে সাগর ভাঙনে ২১০ পরিবার নিঃস্ব: ‘সম্পদ হারিয়ে পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে’

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার উড়িরচর ইউনিয়নের দক্ষিণ তীরে সাগর ভাঙনে গত চার মাসে ২১০ পরিবার তাদের বাড়ি-ভিটা হারিয়েছে। বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন রাহাতুল ইসলাম (৩০) ও আবুল হোসেন (৪৭)সহ বহু পরিবার। সরকারি নথিতে এই পরিবারদের তালিকা নেই

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উড়িরচরে সাগর ভাঙনের কারণে গত চার মাসে ২১০ পরিবার তাদের বাড়ি-ভিটা হারিয়েছে। এই পরিবারগুলোর মধ্যে রয়েছে রাহাতুল ইসলাম (৩০) ও আবুল হোসেন (৪৭)সহ বহু বাসিন্দা। তাদের বাড়ি, জমি, পুকুর, নারকেল ও সুপারির গাছসহ সবকিছুই হারিয়ে ফেলেছেন। স্থানীয়রা বলছেন, এই ভাঙন থেকে বাঁচতে পারেননি তাদের জীবিকার মূল সম্পদ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার উড়িরচর ইউনিয়নের দক্ষিণ তীরে গত চার মাসে ২১০ পরিবার বাড়ি হারিয়েছে
  • 📌 রাহাতুল ইসলাম (৩০) বলেছেন, ‘ওই যে ইট-বালু নিয়ে যাচ্ছে সেখানে আমার বাড়ি ছিল, এখন আর কিছুই নেই’
  • 📌 আবুল হোসেন (৪৭) বলেছেন, ‘জাগা-জমি, অর্থ-সম্বল সব আছিল, এখন কিচ্ছু নাই, আঁর পরিবার নিঃস্ব’
  • 📌 ২০১২ সাল থেকে উড়িরচরে অন্তত দুই হাজার পরিবার বসতভিটা হারিয়েছে
  • 📌 পানি উন্নয়ন বোর্ডের নথি অনুযায়ী, গত ১৪ বছরে ১৪.৭ বর্গকিলোমিটার ভূমি হারিয়েছে উড়িরচর
  • 📌 সরকারি দপ্তরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের তালিকা নেই, ত্রাণ সহায়তা পাচ্ছেন না তারা

📰 বিস্তারিত

সন্দ্বীপ উপজেলা সদর থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত উড়িরচর ইউনিয়নের দক্ষিণ তীরে সাগর ভাঙনের কারণে বাড়ি হারিয়েছেন রাহাতুল ইসলাম (৩০)। তিনি বলেন, ‘ওই যে ইট-বালু নিয়ে যাচ্ছে সেখানে আমার বাড়ি ছিল। সাত একর জমির বাড়ি ছিল, বসতঘরের পাশেই ছয়টি পুকুর, কলাবাগান, নারকেল ও সুপারির গাছ। মাছ, কলা, নারকেল ও সুপারির বিক্রি থেকে পরিবারের খরচ চলত। কিন্তু এখন আর কিছুই নেই। কীভাবে জীবন যাপন করব, কিছুই বুঝছি না।’

রাহাতুলের মতোই আবুল হোসেন (৪৭)ও তার ৪৫ বছরের পুরোনো বাড়ি হারিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ভাঙনের কয়েক দিন আগেই টের পেয়েছিলাম। রাতে ঢেউয়ের শব্দে ঘুমাইতে পারতাম না। বাধ্য হয়ে ঘর সরিয়ে নিতে হয়েছিল। জাগা-জমি, অর্থ-সম্বল সব আছিল, এখন কিচ্ছু নাই, আঁর পরিবার নিঃস্ব।’

উড়িরচর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুর রহিম জানান, ২০১২ সাল থেকে ইউনিয়নের অন্তত দুই হাজার পরিবার বসতভিটা হারিয়েছে। শুধু গত চার মাসেই ২১০ পরিবার বাড়ি হারিয়েছে। তবে এই পরিবারদের নাম ও বর্তমান ঠিকানা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নথিভুক্ত করা হয়নি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্যমতে, গত ১৪ বছরে ১৪.৭ বর্গকিলোমিটার ভূমি হারিয়েছে উড়িরচর।

সাগরের তীরে ভাঙতে থাকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে রাহাতুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বাড়ির সীমানা ২ সেপ্টেম্বর ভাঙতে শুরু করে। এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর পুরো বাড়িই ভেঙে যায়। পরে অদূরে একটি ঘর তুলে থাকছি।’ আবুল হোসেনের বাবা নুরুল হুদার হাতে গড়া সেই বাড়ির বসতঘরটি সরাতে পেরেছিলেন তিনি, কিন্তু পুকুরের মাছ তোলার সময় পাননি। পরে মাছসহ পুকুরটি সমুদ্রের জলরাশিতে মিশে গেছে।

"ওই যে ইট-বালু নিয়ে যাচ্ছে সেখানে আমার বাড়ি ছিল। এখন আর কিছুই নেই। কীভাবে কী করব, কী খাব, কিছুই বুঝছি না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: উড়িরচর ইউনিয়ন, সন্দ্বীপ উপজেলা, চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাহাতুল ইসলাম (৩০), আবুল হোসেন (৪৭), আবদুর রহিম (উপজেলা চেয়ারম্যান)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১০ পরিবার (গত চার মাসে বাড়ি হারানো), ২০০০+ পরিবার (২০১২ সাল থেকে বাড়ি হারানো), ১৪.৭ বর্গকিলোমিটার (ভূমি হারানো)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖