📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশ্লীল ভিডিও ও ছবি বিক্রির অভিযোগে রাজধানীর বসুন্ধরা থেকে এক তরুণীকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। তার প্রধান সহযোগীসহ আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য মিলেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ
পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকা থেকে এক তরুণীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ। একই অভিযোগে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রামে অশ্লীল কনটেন্ট বিক্রির অভিযোগ তরুণীর বিরুদ্ধে
- 📌 মুঠোফোনভিত্তিক অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি নিয়ে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও বিক্রির অভিযোগ
- 📌 ১০ আগস্ট সাইবার মনিটরিংয়ের সময় অভিযুক্তদের কার্যক্রম শনাক্ত করে ১১ আগস্ট অভিযান চালায় ডিবি
- 📌 গ্রেপ্তার তরুণীর কাছ থেকে আইফোন-১৭ প্রো ম্যাক্স ও ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ
- 📌 রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর অধীনে মামলা দায়ের
- 📌 অভিযুক্ত তরুণীর বাবাকেও আসামি করা হয়েছে মামলায়
📰 বিস্তারিত
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে অশ্লীল ভিডিও ও ছবি বিক্রির অভিযোগে রাজধানীর বসুন্ধরা থেকে এক তরুণীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত তরুণী তার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অশ্লীল কনটেন্ট বিক্রি করতেন। মুঠোফোনভিত্তিক অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি নিয়ে ক্রেতাদের কাছে এসব সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।
১০ আগস্ট সাইবার মনিটরিংয়ের সময় ডিবির সদস্যরা অভিযুক্তদের কার্যক্রম শনাক্ত করেন। পরবর্তীতে প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান নির্ণয় করে ১১ আগস্ট রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। এ সময় অভিযুক্ত তরুণীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে একটি আইফোন-১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। পরে তরুণীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডার লিংক রোড এলাকা থেকে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর অধীনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত তরুণী জানান, তিনি নিজেই এসব কনটেন্ট তৈরি ও বিক্রি করতেন। পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, অভিযুক্ত তরুণীর বাবা তার অনৈতিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত ছিলেন এবং উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে তাকে আসামি করা হয়েছে মামলায়।
"অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য মিলেছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বসুন্ধরা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তরুণী (২৫), খাজা সাকলাইন ফারুক (৩০)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর, ৩০ বছর, ১০ আগস্ট, ১১ আগস্ট, আইফোন-১৭ প্রো ম্যাক্স
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!