📌 পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনে হাজির হাট এলাকার বাণিজ্যিক কেন্দ্র বিপন্ন হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা মানববন্ধন করে জেলা প্রশাসককে দাবি জানান দ্রুত টেকসই ব্যবস্থা নেওয়ার। জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহিদ হোসেন পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের অবস্থা দেখেন এবং পুনর্বাসনের নির্দেশ দেন
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় তেঁতুলিয়া নদীর ক্রমাগত ভাঙনে হাজির হাট এলাকার বাণিজ্যিক কেন্দ্র হাজির হাট বিপন্ন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট ২০২৬) উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন করে জেলা প্রশাসককে দাবি জানান দ্রুত টেকসই ব্যবস্থা নেওয়ার। জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহিদ হোসেন পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের অবস্থা দেখেন এবং পুনর্বাসনের নির্দেশ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাজির হাট পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার একমাত্র বাণিজ্যিক কেন্দ্র, যেখানে ঢাকার নৌযানসহ পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের মালামাল পরিবহন হয়।
- 📌 গত ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনে হাজির হাট এলাকাটি ক্রমেই ছোট হয়ে আসছে।
- 📌 গত মঙ্গলবার রাতে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে গিয়ে ৫০টি ঘরবাড়ি, ১০০ একর ফসলি জমি ও একটি কবরস্থান পানিতে ডুবে যায়।
- 📌 স্থানীয়রা দাবি, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অপরিকল্পিত কার্যক্রম এবং বরাদ্দের অপ্রয়োগের কারণে পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে।
- 📌 জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহিদ হোসেন পরিদর্শন করে বলেন, ‘ভাঙন রোধে শুধু বালুর বস্তা দিয়ে স্থায়ী সমাধান করা যায় না। টেকসই পরিকল্পনা প্রয়োজন।’
- 📌 ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয় ও খাবার সরবরাহের নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক।
📰 বিস্তারিত
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার হাজির হাট এলাকায় তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙন থেকে বাণিজ্যিক কেন্দ্রটি বিপন্ন হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট ২০২৬) উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন করে জেলা প্রশাসককে দাবি জানান দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার। স্থানীয়রা জানান, হাজির হাট দশমিনা উপজেলার একমাত্র বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এখান দিয়ে ঢাকার নৌযানসহ পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে মালামাল পরিবহন করা হয়। গত ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে নদীর ভাঙনে এলাকাটি ক্রমেই ছোট হয়ে আসছে। ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে হাজার হাজার একর কৃষিজমি, শতাধিক বসতবাড়ি ও একাধিক কবরস্থান।
গত মঙ্গলবার রাতে আকস্মিকভাবে তেঁতুলিয়া নদীতে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে গিয়ে প্রায় ৫০টি ঘরবাড়ি, ১০০ একর ফসলি জমি ও একটি কবরস্থান পানিতে ডুবে যায়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়।
মানববন্ধনে স্থানীয় জেলে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। বক্তারা বলেন, হাজির হাটের নদীভাঙন এক দিনের সমস্যা নয়; এটি দীর্ঘদিনের। পানি উন্নয়ন বোর্ডের অপরিকল্পিত ও অপর্যাপ্ত কার্যক্রমের কারণে পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ হচ্ছে। অতীতে হাজির হাটের ভাঙন রোধের নামে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার হয়নি। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া গেলে দশমিনা সদর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
"ভাঙন রোধে শুধু বালুর বস্তা দিয়ে স্থায়ী সমাধান করা যায় না। এর জন্য সঠিক ও টেকসই পরিকল্পনা প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দশমিনা উপজেলা, পটুয়াখালী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহিদ হোসেন, স্থানীয় বাসিন্দা, ইউএনও, বক্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০টি ঘরবাড়ি, ১০০ একর ফসলি জমি, ১৫-২০ বছর, ১৯ জুন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!