📌 বিশ্ব চিঠি দিবসে দিনাজপুরে আয়োজিত বিশেষ আড্ডায় শিক্ষক সনৎ চক্রবর্তী তুলে ধরেন তাঁর চিঠি লেখার স্মৃতিচারণা। হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবনে দিনাজপুর বন্ধুসভা আয়োজন করে অনুষ্ঠান
বিশ্ব চিঠি দিবস উপলক্ষে দিনাজপুরে আয়োজিত এক বিশেষ আড্ডায় হারিয়ে যাওয়া চিঠির ঐতিহ্যের স্মৃতিচারণা করেন চেহেলগাজী শিক্ষা নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক সনৎ চক্রবর্তী। দিনাজপুর বন্ধুসভা আয়োজিত ‘গল্পে গল্পে চিঠির স্মৃতিচারণা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানটি গত ১ সেপ্টেম্বর দয়ানন্দ সাধারণ গ্রন্থাগারে অনুষ্ঠিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিশ্ব চিঠি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত হয় বিশেষ আড্ডা
- 📌 দিনাজপুর বন্ধুসভা আয়োজন করে ‘গল্পে গল্পে চিঠির স্মৃতিচারণা’ অনুষ্ঠান
- 📌 চেহেলগাজী শিক্ষা নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক সনৎ চক্রবর্তী অংশগ্রহণ করেন
- 📌 অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় দয়ানন্দ সাধারণ গ্রন্থাগারে
📰 বিস্তারিত
সময় পাল্টেছে, প্রযুক্তির ছোঁয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থায় এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। একসময় দূরের মানুষের সঙ্গে মনের কথা জানানোর মাধ্যম ছিল চিঠি। হাতের লেখা কয়েকটি শব্দের জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করা, ডাকপিয়নের ঘণ্টার শব্দ শুনে আনন্দিত হওয়া—এসবই ছিল চিঠির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা আবেগ। কিন্তু ই-মেইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে সেই ঐতিহ্য ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।
এই হারিয়ে যাওয়া স্মৃতিকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে দিনাজপুর বন্ধুসভা আয়োজন করে বিশেষ আড্ডা। ‘গল্পে গল্পে চিঠির স্মৃতিচারণা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে শিক্ষক সনৎ চক্রবর্তী তাঁর নিজের চিঠি লেখার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সময়টা ছিল প্রায় পঞ্চাশের দশক। তখন চিঠিই ছিল যোগাযোগের একমাত্র নির্ভরযোগ্য মাধ্যম।
"সময়টা ছিল প্রায় পঞ্চাশের দশক। তখন চিঠিই ছিল যোগাযোগের একমাত্র নির্ভরযোগ্য মাধ্যম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিনাজপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সনৎ চক্রবর্তী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!