📌 নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে প্রবাসী পরিবারের জমিতে ইটভাটা মালিক জমি দখলের চেষ্টা ও হুমকি দিচ্ছেন। পুলিশের অভিযোগে জড়িয়ে পড়ার হুমকি দেওয়া হয়। অভিযোগ করা হয়েছে পুলিশের নিরপেক্ষতা ও উপজেলা প্রশাসনের নিরবতায় ইটভাটার অবৈধ পরিচালনা
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে প্রবাসী পরিবারের জমিতে ইটভাটা মালিক জমি দখলের চেষ্টা ও পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিচ্ছেন। অভিযোগ করা হয়েছে পুলিশের নিরপেক্ষতা ও উপজেলা প্রশাসনের নিরবতায় ইটভাটার অবৈধ পরিচালনা। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা এই অভিযোগ তুলেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জের সিরাজপুর গ্রামে** দুবাই প্রবাসী আব্দুল গোফরানের জমিতে ইটভাটা মালিক জাকির হোসেনের লোকজন **দখল চেষ্টা** করছেন এবং পরিবারের সদস্যদের হুমকি দিচ্ছেন।
- 📌 **১২ অক্টোবর রাতে** জাকিরের লোকজন **জমির সীমানা ভাঙা** এবং **টিনের বেড়া নিয়ে যায়**। এরপর **৩১ অক্টোবর** আবারও **ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ফেলা** হয়।
- 📌 **পুলিশের অভিযোগে জড়িয়ে পড়ার হুমকি** দেওয়া হয় এবং **জমি বন্ধক দিতে চাপ** দেওয়া হয়। এছাড়াও **৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি** হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
- 📌 **জাকির হোসেনের দাবি**, ইটভাটার ভেতরে **৯ শতাংশ জমি** রয়েছে এবং পরিবার **বকেয়া টাকা দিতে অস্বীকার** করে।
- 📌 **কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম** বলেন, উভয় পক্ষকে **আদালতের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি** করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।
📰 বিস্তারিত
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের সিরাজপুর গ্রামে দুবাই প্রবাসী আব্দুল গোফরানের কেনা জমিতে ইটভাটা মালিক জাকির হোসেনের লোকজন দখল চেষ্টা করছেন। জমির সীমানায় থাকা টিনের বেড়া ভেঙে দখলের চেষ্টা করা হয়েছে। পরিবারটি দাবি করে, জমি বিক্রি বা বন্ধক না দিলে তাদের এলাকায় বসবাস করতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে।
গত ১২ অক্টোবর রাতে জাকিরের লোকজন গোফরানের জমির দক্ষিণ পাশের টিনের বেড়া ভেঙে নিয়ে যায়। এরপর ১৬ অক্টোবর গোফরানের স্ত্রী বিলকিস আরা বেগম জমিতে একটি দোচালা ঘর নির্মাণ শুরু করেন। কিন্তু কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল, এসআই সুমন ও এসআই আনোয়ার ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করতে বলেন। তারা জাকিরের সঙ্গে সমঝোতা করে জমিটি তার কাছে বন্ধক দেওয়ার জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ পরিবারের।
পুলিশের কথায় রাজি না হয়ে পরিবার ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। ওই দিন রাতেই জাকিরের লোকজন নির্মাণাধীন ঘর ও টিনের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। পরিবারটি অভিযোগ করেছে, জাকির দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন এবং রাষ্ট্রীয় নিয়মনীতি উপেক্ষা করে ইটভাটা পরিচালনা করছেন।
"আমি তাদের বকেয়া টাকা থাকলে নিয়ে যেতে এবং জমিটি বিক্রি করে দিতে বলেছি। কিন্তু তারা আমার কাছে জমি বিক্রি করতে রাজি হননি। পরে তাদের জায়গায় রাখা আমার মাটি ও ইটের খোয়া দিয়ে দিতে বললে তারা বাধা দেন।"
— জাকির হোসেন, ইটভাটার মালিক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নোয়াখালী, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা, সিরাজপুর গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল গোফরান (প্রবাসী), বিলকিস আরা বেগম (স্ত্রী), জাকির হোসেন (ইটভাটা মালিক), এসআই নজরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ শতাংশ (জমি), ৩ লাখ টাকা (ক্ষয়ক্ষতি), ২১ ফুট x ১৬ ফুট (ঘর আয়তন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!