📌 নীলফামারীতে শ্বশুরবাড়িতে চুরি ও লুটের অভিযোগে জামাইসহ দুইজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। বাদী রেখা বেগমের দায়ের করা মামলায় তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে আসামিদের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়
নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলায় শ্বশুরবাড়িতে চুরি ও লুটের মামলায় পুলিশের গোপন অভিযানে জামাইসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) গ্রেফতাতকৃতদের আদালতে হাজির করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নীলফামারী সদরের হাজিগঞ্জ এলাকার জামাই মো. আজিম (২৬) ও তার সহযোগী তৌহিদুল ইসলাম (২৮)কে গ্রেফতার করা হয়
- 📌 রেখা বেগম (৪৫)ের দায়ের করা মামলায় অভিযোগ: শ্বশুরবাড়িতে খাবারে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে ঘুমিয়ে দেওয়া ও ট্রাঙ্ক ভেঙে টাকা লুট করা
- 📌 ৩ এপ্রিল মামলা দায়েরের পর তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে মঙ্গলবার রাতে আসামিদের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়
- 📌 এসআই আঙ্গুর ইসলাম জানান, গ্রেফতাতকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
নীলফামারী সদরের হাজিগঞ্জ এলাকার এজাজুল ইসলামের ছেলে মো. আজিম (২৬) ও তফিজ উদ্দিনের ছেলে তৌহিদুল ইসলাম (২৮)কে ডোমার থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এই দু’জনকে অভিযোগ রয়েছে শ্বশুরবাড়িতে চুরি ও লুটের। বাদী রেখা বেগম (৪৫) জামিরবাড়ি হুজুরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি জানান, গত ২ এপ্রিল রাতে আজিম তার বাড়িতে এসে খাবারে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে দেন। পরে যখন তিনি ও পরিবারের অন্যান্য সদস্য ঘুমিয়ে পড়েন, তখন আজিম ও তৌহিদুল ঘরের ট্রাঙ্ক ভেঙে টাকা-পয়সা লুট করে নিয়ে যান।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে গোপন অভিযান চালায়। মঙ্গলবার রাতে তারা আসামিদের নিজ বসতবাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আঙ্গুর ইসলাম বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজকে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
"ঘটনার দিন আজিম ও তার বন্ধু আমাদের বাড়িতে দাওয়াত খেতে এসে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে দেয়। আমরা ঘুমিয়ে পড়লে তারা ঘরের ট্রাঙ্ক ভেঙে টাকা-পয়সা লুট করে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তারা পলাতক ছিলো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নীলফামারী সদর, হাজিগঞ্জ এলাকা ও জামিরবাড়ি হুজুরপাড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আজিম (২৬), তৌহিদুল ইসলাম (২৮), রেখা বেগম (৪৫), এসআই আঙ্গুর ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন গ্রেফতার, ২ এপ্রিল মামলা দায়ের, ৪ নভেম্বর গ্রেফতারকৃতদের আদালতে হাজির
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!