📌 নাটোরের উত্তর বড়গাছা এলাকায় খেজুরের ডাল কাটতে গিয়ে ভীমরুলের আক্রমণে ৭০ বছর বয়সী রহিমা বেগমের মৃত্যু হয়। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন
নাটোরের উত্তর বড়গাছা এলাকায় খেজুরের ডাল কাটতে গিয়ে ভীমরুলের আক্রমণে ৭০ বছর বয়সী রহিমা বেগমের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে তিনি বাড়ির পাশের গাছের খেজুরের ডাল কাটতে যান। বার্ধক্যজনিত দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের কারণে তিনি ডালে থাকা ভীমরুলের চাকটি দেখতে পারেননি। ডাল কাটার সময় চাকটি ভেঙে পড়লে শতাধিক ভীমরুল একসাথে তাঁর ওপর আক্রমণ চালায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৭০ বছর বয়সী রহিমা বেগম নাটোরের উত্তর বড়গাছা এলাকায় ভীমরুলের আক্রমণে মৃত্যুবরণ করেন
- 📌 দুপুর ২টার দিকে খেজুরের ডাল কাটতে গিয়ে তিনি আক্রমণে আহত হন
- 📌 বাড়ির লোকজন ও স্থানীয়রা তাঁকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নাটোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান
- 📌 হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন
- 📌 নাটোরের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়
📰 বিস্তারিত
১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে নাটোরের উত্তর বড়গাছা এলাকায় বাসিন্দা রহিমা বেগম (৭০) বাড়ির পাশের গাছের খেজুরের ডাল কাটতে যান। বার্ধক্যজনিত কারণে তাঁর দৃষ্টিশক্তি খুবই কমে গিয়েছিল। সেই কারণে তিনি ডালে থাকা ভীমরুলের চাকটি খেয়াল করতে পারেননি। ডাল কাটার সময় চাকটি ভেঙে পড়ে এবং শতাধিক ভীমরুল একসাথে তাঁর ওপর আক্রমণ চালায়। আক্রমণে আহত রহিমা বেগমের চিৎকারে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা ছুটে আসেন এবং তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
তাঁকে তৎক্ষণিকভাবে নাটোরের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। রহিমা বেগমের মৃত্যুতে এলাকার কাউন্সিলরসহ স্থানীয় বাসিন্দারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
"বাড়ির পাশের গাছের খেজুরের ডাল কাটতে গিয়ে ভীমরুলের আক্রমণে আহত হন। আক্রমণে শতাধিক ভীমরুল তাঁর ওপর আক্রমণ চালায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তর বড়গাছা, নাটোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রহিমা বেগম (৭০), বাসিন্দারা, স্থানীয়রা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ বছর বয়স, ১০ সেপ্টেম্বর, দুপুর ২টা, রাত ৯টা, ২৫০ শয্যা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!