📌 নওগাঁর মহাদেবপুরে ভেজাল সার ও কীটনাশক তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে মালিক ও সহযোগীকে জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়। কারখানা সিলগালা করা হয় এবং জরিমানা করা হয়
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় ভেজাল সার ও কীটনাশক তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে প্রশাসন মালিক ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে জরিমানা ও কারাদণ্ডের আদেশ জারি করেছে। অভিযানকালে জরিমানা করা হয় এবং কারখানা সিলগালা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নওগাঁর মহাদেবপুরে ভেজাল সার ও কীটনাশক তৈরির কারখানায় অভিযান চালানো হয়, কারখানা সিলগালা করা হয়
- 📌 মালিক মো. দেলোয়ার হোসেনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়
- 📌 অপর মালিক মোহাম্মদ শাহিনুর আলম উপস্থিত না থাকায় তাঁর স্ত্রী হাসনাত জাহান পাপিয়াকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়
- 📌 অভিযানে জরিমানা করা হয় দুই লাখ টাকা এবং কারখানার বিভিন্ন ক্ষতিকর সরঞ্জাম ও রাসায়নিক জব্দ করা হয়
📰 বিস্তারিত
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার শিবগঞ্জ বাজার ও শিবগঞ্জ দরিয়াপাড়া এলাকায় শনিবার ভোর থেকে বেলা পৌনে ১১টা পর্যন্ত প্রশাসন, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসআরবি, পুলিশের একটি টিম ও গোয়েন্দা সংস্থা যৌথভাবে এই অভিযানে অংশ নেয়। অভিযানকালে কারখানাটি সিলগালা করা হয় এবং কারখানার বিভিন্ন ক্ষতিকর সরঞ্জাম ও রাসায়নিক জব্দ করা হয়।
মহাদেবপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল নাঈম বিনতে আজিজ ভ্রাম্যমাণ আদালতে রায় দেন। তিনি বলেন, অভিযানে দুই লাখ টাকা জরিমানা ও একজনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কৃষকদের স্বার্থরক্ষায় এবং ভেজাল রোধে এমন অভিযান ভবিষ্যতে আরও অব্যাহত থাকবে।
মালিক মো. দেলোয়ার হোসেন (মোতার হোসেনের ছেলে) এবং তাঁর ভাই মোহাম্মদ শাহিনুর আলমের কারখানায় অনুমোদিত পণ্যের মান যাচাইয়ের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। মহাদেবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ বলেন, প্রতিষ্ঠানটির বরুণ ও জৈব সার তৈরির অনুমোদন থাকলেও ছাইবার মেথিন এবং তেলাপোকা মারার চক তৈরির কোনো বৈধ কাগজপত্র তাঁরা দেখাতে পারেননি।
"অভিযানে দুই লাখ টাকা জরিমানা ও একজনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের স্বার্থরক্ষায় এবং ভেজাল রোধে এমন অভিযান ভবিষ্যতে আরও অব্যাহত থাকবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহাদেবপুর উপজেলা, নওগাঁ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. দেলোয়ার হোসেন, হাসনাত জাহান পাপিয়া, জান্নাতুল নাঈম বিনতে আজিজ, হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ টাকা (জরিমানা), ২ লাখ টাকা (মোট জরিমানা), ১ মাস (কারাদণ্ড)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!