📅 ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:২০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঝুম বৃষ্টির মধ্যেও জাঁকজমকপূর্ণ করমা উৎসব: ১৫টি গ্রামের ভুঁইয়ারা একত্রে পালন

ঝুম বৃষ্টির মধ্যেও জাঁকজমকপূর্ণ করমা উৎসব: ১৫টি গ্রামের ভুঁইয়ারা একত্রে পালন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভুঁইয়াদের করমা উৎসব ঝুম বৃষ্টির মধ্যেও অনুষ্ঠিত হয়। ১৫টি গ্রামের ভুঁইয়ারা একত্রে পালন করে এই ঐতিহ্যবাহী উৎসব। বৃষ্টির কারণে উপোস ভাঙতে বাধ্য হলেও উৎসবের আনন্দে ভরপুর ছিল গ্রামবাসীরা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের দেওপুরা গ্রামে ঝুম বৃষ্টির মধ্যেও অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী করমা উৎসব। ১৫টি গ্রামের ভুঁইয়ারা একত্রে আয়োজিত এই উৎসবের বিশেষত্ব ছিল বৃষ্টির মধ্যেও অনুষ্ঠানের অব্যাহততা। সন্ধ্যা থেকে রাত ১১টার পরও বৃষ্টি থামার অপেক্ষায়, উপোস ভাঙতে নেমে পড়লেন গ্রামের কুমারী মেয়েরা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঝুম বৃষ্টির মধ্যেও অনুষ্ঠিত হয় ভুঁইয়াদের করমা উৎসব — ১৫টি গ্রামের ভুঁইয়ারা একত্রে আয়োজন
  • 📌 করমা উৎসবের বিশেষত্ব: বীজ বপনের সাথে যুক্ত পূজারির নিজস্ব হাতে তৈরি হাতি ও ঘোড়া
  • 📌 সাতভাই এক বোনের বীজে: মাষকলাই, যব, গম, ছোলা, ধান, অড়হড়, শসা ও তিল — তিলকে বোন হিসেবে বিবেচনা করা হয়
  • 📌 বৃষ্টির কারণে সন্ধ্যা থেকে শুরু হলো নাচ-গান, রাত ১১টার পর থেকে ভোর পর্যন্ত চলতে থাকে
  • 📌 নওগাঁর সাপাহার উপজেলার কিশোরী মৌমিতা রায় (১৫) ও গৃহবধূ সোহাগী রাই উৎসবের আনন্দে ভরপুর
  • 📌 উৎসবের শেষে করমার ডাল পুকুরে বিসর্জন দেওয়া হয় এবং খিচুড়ি বিতরণ করা হয়

📰 বিস্তারিত

ভুঁইয়াদের করমা উৎসবের ধর্মীয় রীতি অনুসারে, সন্ধ্যায় গ্রামের আখড়ায় করমা বা কারামগাছের ডাল পুঁতে পূজা দেওয়া হয়। এরপর উপোস ভাঙতে পারে গ্রামের কুমারী মেয়েরা। কিন্তু ঝুম বৃষ্টির কারণে সন্ধ্যা থেকে শুরু হলো এই ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান। বৃষ্টির কারণে বসে থাকতে পারলেন না পূজারি ও গ্রামের মোড়ল। আখড়ার ওপর কাপড়ের শামিয়ানা থাকলেও বৃষ্টির পানি থেকে রক্ষা পাচ্ছিল না।

এই বার করমা উৎসবের বিশেষত্ব ছিল ১৫টি গ্রামের ভুঁইয়ারা একত্রে আয়োজন। গ্রামের যুবকদের নেতৃত্বে মানিক রাই বলেন, ‘ওরাওঁদের কারামেল উৎসব থেকে ভুঁইয়াদের করমা একটু আলাদা। ওরাওঁদের আখড়ায় পুঁতে রাখা কারামগাছের ডালের সামনে থাকে মাটি ও বালুর মিশ্রণে বপন করা বীজ থেকে গজানো চারা। কিন্তু ভুঁইয়াদের চারার সঙ্গে থাকে পূজারির নিজ হাতে মাটি দিয়ে বানানো হাতি ও ঘোড়া। আমরা বৃক্ষের সঙ্গে জীবজন্তুও রক্ষার প্রার্থনা নিয়ে করমা পালন করি।’

বীজ বপনের সময় সাতভাই এক বোনের ধারণা অনুসরণ করা হয়। বপন করা বীজের মধ্যে ছিল মাষকলাই, যব, গম, ছোলা, ধান, অড়হড়, শসা ও তিল। এদের মধ্যে তিলকে বোন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় দুটি চাঙারি আখড়ায় নিয়ে যাওয়া হতো, যেখানে চাঙারি ঘিরে নাচ-গান চলত। বলা হয়ে থাকে করমার গীত শুনে শুনে বীজ থেকে চারাগুলো দ্রুত বেড়ে ওঠে।

উৎসবের শেষে মেয়েরা আখড়ায় পুঁতে রাখা গাছের ডালে শাপলা ফুলের মালা পরায় এবং পাতায় গেঁথে দেয় তালের রুটি। উপোস ভেঙে গ্রামের নারী-পুরুষের সঙ্গে করমা ডালকে ঘিরে মাদলের তালে তালে শুরু হয় নাচ-গান। নওগাঁর সাপাহার উপজেলার খরিয়াপাড়ার কিশোরী মৌমিতা রায় (১৫) বলেন, ‘আমি জীবনে এমন উৎসব দেখিনি। আমাদের গ্রামে এটা হয় না। তাই দিদার সঙ্গে আত্মীয়ের বাড়িতে এসেছি বেড়াতে। আসাটা সার্থক হয়েছে। অনেক আনন্দ করলাম।’

"ওরাওঁদের কারামেল উৎসব থেকে ভুঁইয়াদের করমা একটু আলাদা। ওরাওঁদের আখড়ায় পুঁতে রাখা কারামগাছের ডালের সামনে থাকে মাটি ও বালুর মিশ্রণে বপন করা বীজ থেকে গজানো চারা। কিন্তু ভুঁইয়াদের চারার সঙ্গে থাকে পূজারির নিজ হাতে মাটি দিয়ে বানানো হাতি ও ঘোড়া। আমরা বৃক্ষের সঙ্গে জীবজন্তুও রক্ষার প্রার্থনা নিয়ে করমা পালন করি"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা, পার্বতীপুর ইউনিয়নের দেওপুরা গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মানিক রাই, মৌমিতা রায় (১৫), সোহাগী রাই, ধিরেণ রাই
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫টি গ্রামের ভুঁইয়ারা, রাত ১১টা, ভোর পর্যন্ত

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖