📅 ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মধুমতি নদীর ভাঙনে পাংখারচরের কৃষকদের জীবিকা বিপদে: শত শত বিঘা জমি হারিয়ে ফেলেছে নদী

মধুমতি নদীর ভাঙনে পাংখারচরের কৃষকদের জীবিকা বিপদে: শত শত বিঘা জমি হারিয়ে ফেলেছে নদী

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 ডেইলি বাংলাদেশ ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গোপালগঞ্জের পাংখারচরে মধুমতি নদীর অব্যাহত ভাঙনে শত শত বিঘা জমি হারিয়েছে কৃষকরা। জামাল হোসেনের মতো অসংখ্য কৃষকদের জীবিকা বিপদে পড়েছে, যেখানে ৩০ বিঘা জমি ইতোমধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, জরুরি ব্যবস্থা না নিলে আরও বেশি জমি হারানোর আশঙ্কা রয়েছে

গোপালগঞ্জের পাংখারচর গ্রামে মধুমতি নদীর অব্যাহত ভাঙনে কৃষকদের জীবিকা বিপদে পড়েছে। নদীর অগ্রসরতা থেকে শত শত বিঘা জমি হারিয়ে ফেলেছে স্থানীয় কৃষকরা, যেখানে ৩০ বিঘা জমি ইতোমধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে। কৃষকদের দাবি, যদি জরুরি ব্যবস্থা না নেয়া হয়, তাহলে আরও বেশি জমি ও বসতবাড়ি নদীগর্ভে ডুবে যাবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গোপালগঞ্জের পাংখারচর গ্রামে মধুমতি নদীর ভাঙনে ৩০ বিঘা জমি হারিয়েছে কৃষকরা
  • 📌 জামাল হোসেন (৪৫) চার বিঘা জমি হারিয়েছেন, অবশিষ্ট তিন বিঘা জমিও নদীগর্ভে যেতে পারে
  • 📌 ফুকরা ইউনিয়নের কৃষকদের দাবি: জরুরি ব্যবস্থা না নিলে জীবিকা হারানোর আশঙ্কা
  • 📌 গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. হাসান আহমেদ বলেছেন, বরাদ্দের অপেক্ষায় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে
  • 📌 বোরো ও আমন ধানসহ বিভিন্ন ফসলের জমি হুমকির মুখে

📰 বিস্তারিত

মধুমতি নদীর অব্যাহত ভাঙনে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার পাংখারচর গ্রামের কৃষকদের জীবনচিত্র বদলে যাচ্ছে। নদীর অগ্রসরতা থেকে শত শত বিঘা জমি হারিয়ে ফেলেছে স্থানীয় কৃষকরা। জামাল হোসেন (৪৫) বলেছেন, তিনি নিজের তিন বিঘা ও বর্গা নেওয়া চার বিঘা জমিতে চাষাবাদ করতেন। কিন্তু নদীভাঙনে ইতোমধ্যে চার বিঘা জমি হারিয়েছেন তিনি। অবশিষ্ট তিন বিঘা জমিও যেকোনো সময় নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে, এমন শঙ্কায় পরিবারের সদস্যরা দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।

শুধু জামাল হোসেন নন, উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নের পাংখারচর গ্রামের অসংখ্য কৃষক এখন একই সংকটে রয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, সাম্প্রতিক ভাঙনে প্রায় ৩০ বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ঝুঁকিতে রয়েছে আরও কয়েকশ বিঘা জমি। পাশাপাশি হুমকির মুখে পড়েছে গ্রামীণ সড়ক ও বসতবাড়ি। নদীভাঙন অব্যাহত থাকলে কৃষিনির্ভর বহু পরিবার জীবিকা হারিয়ে সংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

কৃষক আমিনুর রহমান বলেছেন, ‘আমাদের শেষ সম্বলটুকুও যদি নদীতে চলে যায়, তাহলে পরিবার নিয়ে কোথায় দাঁড়াব? মধুমতি ধীরে ধীরে সব জমি গ্রাস করছে। আমরা গরিব মানুষ, জমিটুকুই আমাদের বেঁচে থাকার অবলম্বন। দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করে আমাদের জমি ও বসতভিটা রক্ষার দাবি জানাই।’ আরেক কৃষক মো. মনিরুজ্জামান বলেছেন, ‘চোখের সামনে আবাদি জমি নদীতে চলে যাচ্ছে। অথচ কিছুই করতে পারছি না। এই জমির ফসল বিক্রি করেই সংসার চলে। বাকি জমিটুকুও হারালে পরিবার নিয়ে কীভাবে বাঁচব, তা বুঝতে পারছি না।’

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. হাসান আহমেদ বলেছেন, ‘বিষয়টি আমাদের জানা নেই। এ বছর পর্যাপ্ত বরাদ্দও নেই। আগামীতে বরাদ্দ পেলে ভাঙনকবলিত এলাকায় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ তবে বরাদ্দের অপেক্ষায় থাকতে চান না ভাঙনকবলিত এলাকার কৃষকেরা। তাদের দাবি, ভাঙন আরও বিস্তৃত হওয়ার আগেই জরুরি ভিত্তিতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় ফসলি জমির পাশাপাশি বসতভিটা ও জীবিকার শেষ আশ্রয়টুকুও হারানোর আশঙ্কা রয়েছে তাদের।

"আমাদের শেষ সম্বলটুকুও যদি নদীতে চলে যায়, তাহলে পরিবার নিয়ে কোথায় দাঁড়াব? মধুমতি ধীরে ধীরে সব জমি গ্রাস করছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পাংখারচর গ্রাম, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জামাল হোসেন (৪৫), আমিনুর রহমান, মো. মনিরুজ্জামান, মো. হাসান আহমেদ (উপসহকারী প্রকৌশলী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ বিঘা জমি হারানো, ৪৫ বছর বয়সী জামাল হোসেন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖