📌 চিকিৎসক ও জনবল সংকটে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রসূতি অস্ত্রোপচারসহ বড় অস্ত্রোপচার ২ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। ৩৫টি চিকিৎসক পদে মাত্র ১৭ জন কর্মরত, ১৬টি পদ শূন্য। এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাফি সেবাও বন্ধ
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবলের সংকটে প্রসূতি অস্ত্রোপচারসহ বড় অস্ত্রোপচার ২ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাফি সেবাও বন্ধ থাকায় রোগীরা বাড়তি খরচে বেসরকারি হাসপাতালে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২ বছর ধরে বন্ধ** প্রসূতি অস্ত্রোপচারসহ বড় অস্ত্রোপচার মতলব উত্তর হাসপাতালে
- 📌 **৩৫টি চিকিৎসক পদে মাত্র ১৭ জন** কর্মরত, **১৬টি পদ শূন্য**
- 📌 **প্রতিদিন ৪০০-৫০০ জন** বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেন, **৩০-৩৫ জন** ভর্তি থাকে
- 📌 **প্রসূতি রোগীদের মাসে ৫০-৬০ জন** সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত
- 📌 **এক্স-রে ১ বছর ৮ মাস, আলট্রাসনোগ্রাফি ১ মাস** ধরে বন্ধ
📰 বিস্তারিত
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও জনবল সংকটের কারণে প্রসূতি অস্ত্রোপচারসহ বড় অস্ত্রোপচার ২ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। ৩১ শয্যার এই হাসপাতালে ৩৫টি চিকিৎসক পদে মাত্র ১৭ জন কর্মরত, যার মধ্যে ১৬টি পদ শূন্য। বিশেষ করে জুনিয়র কনসালট্যান্ট (প্রসূতি), জুনিয়র কনসালট্যান্ট (অ্যানেসথেসিয়া) ও জুনিয়র কনসালট্যান্ট (সার্জারি) পদগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসকের অভাব রয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা **রাজন কুমার দাস** জানান, প্রতিদিন গড়ে **৪০০ থেকে ৫০০ জন** রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নেন এবং **৩০ থেকে ৩৫ জন** ভর্তি থাকে। তবে চিকিৎসক ও জনবল সংকটের কারণে সেবা ব্যাহত হচ্ছে। তিনি বলেন, চিকিৎসকসহ শূন্য পদে লোক নিয়োগের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে, কিন্তু নিয়োগ না হওয়ায় সমস্যা সমাধান হচ্ছে না।
প্রসূতি রোগীদের জন্য বিশেষ সমস্যা তৈরি হয়েছে। **প্রতিমাসে ৫০ থেকে ৬০ জন প্রসূতি** সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এক গৃহবধূ বলেন, ‘আমি এক মাস আগেও এখানে প্রসূতি অস্ত্রোপচারের জন্য এসেছিলাম, কিন্তু চিকিৎসক না থাকায় অস্ত্রোপচার করতে পারেননি। বাধ্য হয়ে বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে ১৫ হাজার টাকা খরচ করে অস্ত্রোপচার করাতে হয়েছে।’
এছাড়া এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাফি সেবাও বন্ধ রয়েছে। মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (রেডিওগ্রাফি) পদটি **১ বছর ৮ মাস** ধরে শূন্য। সর্বশেষ এ পদে কর্মরত ব্যক্তি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বদলি হয়ে যান। অন্যদিকে, আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন **১ মাস** ধরে নষ্ট থাকায় এ সেবাও বন্ধ রয়েছে।
"চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবলের সংকটে সেবা ও চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। শূন্য পদে লোক নিয়োগের জন্য চিঠি দিয়েছি, কিন্তু লোক নিয়োগ হচ্ছে না।"
— **রাজন কুমার দাস**, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, চাঁদপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাজন কুমার দাস, গৃহবধূ, তাসলিমা আফরোজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫টি চিকিৎসক পদ, ১৭ জন কর্মরত, ১৬টি শূন্য পদ, ৪০০-৫০০ জন দৈনিক চিকিৎসা নেয়, ৩০-৩৫ জন ভর্তি থাকে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!